রামগঞ্জে হোস্টেল থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, বিক্ষুব্ধ জনতার ভাঙচুর

ছবি: আগামীর সময়
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় একটি আবাসিক হোস্টেল থেকে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ করা হয়েছে উদ্ধার। এ ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম উত্তেজনা।
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালিয়েছে ভাঙচুর।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত মেহেদী রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে। রামগঞ্জের ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিলেন এবং প্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে থাকতেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মঙ্গলবার হোস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয় মেহেদীর মরদেহ। পরে দ্রুত চাটখিল হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি কক্ষ ও আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছেন।
এদিকে ছেলের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মেহেদীর বাবা জিয়া উদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরিবার জানিয়েছে, তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং তার হার্টে রিং বসানো হয়েছিল। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




