লঞ্চে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ, নারীকে থানার সামনে ফেলে পালাল যুবক

সংগৃহীত ছবি
বরিশালে এক নারীকে (৩৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার সকালে বরিশালের মুলাদী থানার সামনে থেকে অচেতন অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা।
তিনি জানালেন, বুধবার সকাল ৭টার দিকে মুলাদী থানার সামনে এক নারীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে ওই নারীকে সুস্থ হলে বেরিয়ে আসে এক ‘প্রতারণার’ গল্প।
ওই নারীর বরাত দিয়ে ওসি জানালেন, তিনি দুই সন্তানের জননী। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে তার। তার বাড়ি বগুড়ার শেরপুর এলাকায়। গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। দুই মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শান্ত নামের এক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শান্ত নিজেকে মাদারীপুরের বাসিন্দা এবং একজন ইতালিপ্রবাসী বলে দাবি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত মঙ্গলবার শান্ত তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঢাকায় ডেকে আনেন। পরে ঢাকা থেকে মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে মুলাদীগামী একটি লঞ্চের কেবিন ভাড়া নেন শান্ত। কেবিনে একাধিকবার ওই নারীকে ধর্ষণ করেন তিনি। বুধবার সকালে লঞ্চটি মুলাদী পূর্ববাজার ঘাটে পৌঁছালে শান্ত ওই নারীকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দেন। তারপর তাকে একটি ভ্যানে তুলে দিয়ে মোবাইল ফোন, টাকা ও মালপত্র নিয়ে পালিয়ে যান শান্ত। ভ্যানচালক অচেতন অবস্থায় তাকে মুলাদী থানার সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে যান।
ওসি মো. সোহেল বলেছেন, ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রতারক যুবককে শনাক্ত করা ও আটকের চেষ্টা চলছে।





