Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
পথশিশুদের স্বপ্নসারথি মিজানুর
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটেন, গাছের মগডালে উঠেই সংসার চালান একরামুল

মো. আমজাদ হোসেন, কাউনিয়া (রংপুর)
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩০
ক্র্যাচে ভর দিয়ে হাঁটেন, গাছের মগডালে উঠেই সংসার চালান একরামুল

ক্র্যাচে ভর দিয়ে ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। একটি পা প্রায় অচল, অন্য পাটিও দুর্বল। অথচ জীবিকার তাগিদে সেই একরামুল হকই উঠে যান গাছের মগডালে। এক গাছ থেকে আরেক গাছে লাফিয়ে লাফিয়ে কাটেন ডালপালা। ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজ করেই চলে তার সংসার।

৩৩ বছর বয়সী একরামুল হকের বাড়ি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার দক্ষিণ মধামোদন এলাকায়। মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকেই গাছের ডালপালা কাটার কাজ করছেন তিনি। এই কাজ করে প্রতি মাসে তার আয় হয় প্রায় ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা। এ আয় দিয়েই স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ করেন তিনি। পাশাপাশি সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকেও কিছু সহায়তা পান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অন্য দশটি শিশুর মতোই স্বাভাবিকভাবে জন্ম নিয়েছিলেন একরামুল। কিন্তু মাত্র তিন বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হয়ে তার একটি পায়ের কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। অন্য পাটিও অনেকটা দুর্বল। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন তিনি। এরপর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও কারও কাছে হাত না পেতে নিজের কর্মসংস্থানের পথ বেছে নিয়েছেন একরামুল। সারা দিন ক্র্যাচে ভর দিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ান। খুঁজে দেখেন কোথায় গাছের ডালপালা কাটার কাজ পাওয়া যাবে। কাজের কথা পাকা হলেই ক্র্যাচ রেখে গাছের গায়ে উঠে পড়েন। মুহূর্তেই উঠে যান গাছের মগডালে। কখনো এক গাছ থেকে আরেক গাছেও লাফিয়ে চলে যান।


আরও পড়ুন

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১৩ বছরের মেয়ে, সৎবাবার মৃত্যুদণ্ড

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬



একরামুলের বাবা আবদুল করিম ছেলেকে ছোটবেলা থেকেই বলতেন, জীবন যত কঠিনই হোক, কারও কাছে হাত পেতে চলা যাবে না। সেই কথাই যেন জীবনের মূলমন্ত্র করে নিয়েছেন একরামুল।

আবদুল করিম বলেন, ‘ছেলে ছোটবেলায় পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবন্ধী হয়েছে। পরে আমি তাকে বলেছি, বাবা, জীবনে পাঁচজনের কাছে হাত পেতে খাওয়ার চেয়ে নিজের কাজ করে খাওয়া ভালো। এরপর সে গাছে ওঠা শিখেছে। এখন গাছ কাটার কাজ করেই সংসার চালায়।’

একরামুলের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘অনেক টাকা-পয়সা খরচ করেও ছেলেকে সুস্থ করতে পারিনি। চিকিৎসার জন্য অনেক জায়গায় নিয়েছি। তবুও ভালো হয়নি। আল্লাহর ওপর ভরসা করে এখন সে গাছ কাটার কাজ করে।’

স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা, তিন ভাই ও এক বোন নিয়ে একরামুলের পরিবার। দুই ভাইয়ের আলাদা সংসার। বোনকে বিয়ে দেওয়া হলেও তার সংসার টেকেনি। ফলে পরিবারের বড় একটি দায়িত্ব একরামুলের কাঁধেই।

একরামুলের গাছে ওঠা-নামার দৃশ্য আশপাশের মানুষের জন্য যেমন বিস্ময়ের, তেমনি উদ্বেগেরও। স্থানীয়রা জানান, তিনি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হলেও গাছে ওঠার সময় তার মধ্যে কোনো ভয় দেখা যায় না।

স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘একরামুল যতক্ষণ গাছের ওপর থাকে, ততক্ষণ আমরা চিন্তায় থাকি। গাছ কাটা বড় কথা নয়, কিন্তু যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তখন তো বড় বিপদ হয়ে যাবে। আমরা তাকে সাবধান করি। কিন্তু সে বলে, আল্লাহ আমার সহায় আছেন, আমার কোনো ভয় নেই।’

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার জীবনের গতি থামিয়ে দিতে পারেনি। বরং নিজের আত্মমর্যাদা আর কর্মক্ষমতার ওপর ভর করে প্রতিদিন নতুন করে জীবনযুদ্ধে নামেন একরামুল। তার স্বপ্ন একটাই, একদিন সংসারের অভাব ঘুচবে। সন্তানদের ভালোভাবে মানুষ করবেন। আর সেদিন হয়তো জীবনের দীর্ঘ সংগ্রামের কিছুটা স্বস্তি ধরা দেবে তার সংসারে।

কাউনিয়া
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    পাকিস্তানের অনুমতি না মেলায় আটকে গেল রূপপুরের জ্বালানি

    পাকিস্তানের অনুমতি না মেলায় আটকে গেল রূপপুরের জ্বালানি

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি নিয়ে ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি নিয়ে ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

    জামালপুরে এসেছে ১ জনের, নিয়োগপত্রের দাবিতে বাকি ৫১ জন সংবাদ সম্মেলনে

    জামালপুরে এসেছে ১ জনের, নিয়োগপত্রের দাবিতে বাকি ৫১ জন সংবাদ সম্মেলনে

    চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার ডেলিভারি বন্ধ

    চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার ডেলিভারি বন্ধ

    নাতনি মরিয়মকে নজরুল প্রথমে বিয়ে করেন ‘মৌখিকভাবে’

    নাতনি মরিয়মকে নজরুল প্রথমে বিয়ে করেন ‘মৌখিকভাবে’

    রাজবাড়ীতে বাড়ছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব

    রাজবাড়ীতে বাড়ছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব

    দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ল

    দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়ল

    শেখ হাসিনার জন্মদিনে বৃদ্ধাশ্রমে খাবার বিতরণ, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৭

    শেখ হাসিনার জন্মদিনে বৃদ্ধাশ্রমে খাবার বিতরণ, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৭

    আইফোন হাতিয়ে নিতে হত্যার ছক, ৭ দিন আগেই পরিকল্পনা

    আইফোন হাতিয়ে নিতে হত্যার ছক, ৭ দিন আগেই পরিকল্পনা

    খুঁটিতে বাঁধা বাবার মুখে খাবার, মেয়ের মমতায় পরিবারে নতুন স্বপ্নের উঁকি

    খুঁটিতে বাঁধা বাবার মুখে খাবার, মেয়ের মমতায় পরিবারে নতুন স্বপ্নের উঁকি

    খাগড়াছড়ির টানে বহুমাত্রিক

    খাগড়াছড়ির টানে বহুমাত্রিক

    ডেঙ্গুতে মারা গেলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

    ডেঙ্গুতে মারা গেলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

    চিকিৎসকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান সালেহউদ্দিনের

    চিকিৎসকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান সালেহউদ্দিনের

    বিতর্কের মুখে বেসিসের সহায়ক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত

    বিতর্কের মুখে বেসিসের সহায়ক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত

    পীরগাছায় সারের ডিলারশিপ ভাগ করে নিয়েছেন বিএনপি নেতারা!

    পীরগাছায় সারের ডিলারশিপ ভাগ করে নিয়েছেন বিএনপি নেতারা!