ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় ২৬ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি অংশে ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সংগৃহীত ছবি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ শনিবার সকালে কুমিল্লার চান্দিনার কুটুম্বপুর এলাকা থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার জুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।
বাসযাত্রী মনির হোসেন বলেছেন, ‘তিন ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় আটকে আছি। কখন যানজট শেষ হবে, কেউ সঠিকভাবে বলতে পারছে না। এতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’
ট্রাকচালক হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, টানা ১৫ দিন কুমিল্লার আলেখারচর অংশে অসহ্য যানজটে ভুগতে হয়েছে। এখন আবার একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মহাসড়কে চলাচল এখন চরম ভোগান্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি প্রেম দাস রায় জানান, মহাসড়কের আষাঢ়ীরচর এলাকায় সড়ক সংস্কারকাজ চলছে। এ ছাড়া শুক্র ও শনিবার ছুটির কারণে অন্যান্য দিনের চেয়ে গাড়ি দ্বিগুণ হওয়ায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেছেন, ‘শুক্রবার রাত থেকে হাইওয়ে পুলিশের প্রচেষ্টায় সকাল ১০টার দিকে দাউদকান্দি অংশে ধীরে ধীরে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের এসআই ফারুক ইসলামের ভাষ্য, যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
গতকাল শুক্রবার থেকে মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিকালের পর পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়। রাতেও মহাসড়কের এই অংশে তীব্র যানজট দেখা যায়।
ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশের এসআই বাবুল হোসেন শুক্রবার সন্ধ্যায় আগামীর সময়কে জানান, আষাঢ়ীরচর এলাকায় সংস্কারকাজের জন্য ঢাকামুখী একটি লেন বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ছুটির দিনে অন্য দিনের তুলনায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় যানজটের তীব্রতা বেড়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী আল রাজী বলেছেন, ‘অতিবৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি ও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল। এ কারণে আষাঢ়ীরচর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে মেরামত ও সংস্কারকাজ শুরু করা হয়েছে।’










