তনু হত্যা
ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল আরও এক পুরুষের নমুনা

সোহাগী জাহান তনু
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষায় আরও এক পুরুষের নমুনা পাওয়া গেছে। এ নিয়ে তনুর পোশাক থেকে মোট চারজন পুরুষের নমুনার তথ্য মিলেছে।
গতকাল রবিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই রাজধানীর কল্যাণপুরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।
তিনি জানালেন, তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে সিআইডিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। প্রায় এক মাস আগে সিআইডি জানিয়েছে, তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরও একজনের রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে সংগৃহীত নমুনায়।
তরিকুল ইসলাম আরও জানালেন, মামলাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।
গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। এর আগে ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, তনুর পোশাকে পাওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে সেটির মিলিয়ে দেখা হবে।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সার্জেন্ট জাহিদের বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরদিন সকালে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। শুরুতে পুলিশ মামলাটির তদন্ত করলেও পরে তা ডিবি ও সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলাটি সিআইডি থেকে পিবিআই সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়।
গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই সদর দপ্তরের পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে তদন্তের দায়িত্ব পান পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।




