আ. লীগের ১৬ বছরের চেয়ে ছয় মাসেই দ্বিগুণ উন্নয়নের দাবি এমপি মান্নানের

সংগৃহীত ছবি
বিগত ১৬ বছরে সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগ উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেনি বলে দাবি করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। তার দাবি, সরকার গঠনের মাত্র ছয় মাসে আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের চেয়েও দ্বিগুণ উন্নয়নকাজ পাস করিয়েছে বিএনপি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে (জাদুঘর) যাওয়ার প্রধান সড়কের পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘বিগত ১৬ বছরে সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগ কী উন্নয়নকাজ করেছে, তা আপনারাই দেখেছেন। বিএনপি সরকার গঠনের মাত্র ছয় মাসে আমরা তাদের ১৬ বছরের চেয়েও দ্বিগুণ উন্নয়নকাজ পাস করিয়ে এনেছি।’
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চান সংসদ সদস্য মান্নান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সুস্থ থাকলে ইশা খাঁর ঐতিহাসিক সোনারগাঁ তার হারানো ঐতিহ্য ও ঐতিহ্যবাহী সুনাম পুনরায় ফিরে পাবে।
মান্নান বলেন, জাদুঘরের প্রধান সড়কটি পুনর্নির্মাণ সোনারগাঁবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের যানবাহন প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি আর্থিক সহযোগিতায় সড়কটি পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত কাজ শেষ করতে স্থানীয় সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সড়কটি পুনর্নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে আনুমানিক ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বেসরকারি পাঁচটি প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, এসিআই হেলথকেয়ার লিমিটেড, আমান গ্রুপ, আল মোস্তফা গ্রুপ ও মাস ফিড লিমিটেডের যৌথ আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে প্রকল্পটি।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন সরকার, কে এম রাফসান, সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিক, সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, পৌর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু ও আব্দুর রাহিম, হারুন অর রশিদ মিঠু, নুরে ইয়াসিন নোবেল এবং রাকিব হাসান। এ ছাড়া ছিলেন পৌরসভা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা।




