খাগড়াছড়িতে আকস্মিক বন্যায় বেশি ক্ষতি কৃষি ও মৎস্য খাতে

সংগৃহীত ছবি
খাগড়াছড়িতে এবারের আকস্মিক বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে কৃষি ও মৎস্য খাত। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। কৃষকদের বিকল্প চিন্তা করতে হবে।
এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি সদর ও পানছড়ি উপজেলা। ক্ষতির শিরভাগই আমন ধান এবং কিছু গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের তথ্যে জানা যায়, তিন উপজেলায় ২৭৮ হেক্টর ফসলি জমি পানিতে ডুবে যায়। এর মধ্যে দীঘিনালায় ১৬০, সদর উপজেলায় ৬৬ ও পানছড়ি উপজেলায় ৫২ হেক্টর।
খাগড়াছড়ি সদরের বটতলী এলাকার কৃষক সাজাই মারমা বললেন, বন্যায় সদ্য রোপণ করা আমন ধানের জমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারও জমিতে পলিমাটি পড়ে ধানের চারার ক্ষতি হয়েছে, কারও চারা ভেসে গেছে। আবার কারও ধানের চারা বিষাক্ত বন্যার পানিতে ডুবে থাকায় গোড়ায় পচন ধরেছে।
দীঘিনালা উপজেলার ছোটমেরুং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিনা দেবী চাকমা বললেন, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কৃষিজমি। মাইনী নদীর দুই কূল তো বটেই, বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশের ধানি জমি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী বললেন, এবার কৃষিতে যা ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। কৃষকদের আগাম শীতকালীন ফসলের দিকে নজর দিতে হবে। কারণ ধানের বীজতলা করে রোপণ করার সময় আর নেই।
গত এক মাস আগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বীজ দিয়ে সাহায্য করা হয়েছিল। এখন সে সময় আর নেই— যোগ
করলেন তিনি।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. রাজু আহম্মেদ জানিয়েছেন, এবারের আকস্মিক বন্যায় প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।






