Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

এক পাড়ায় প্রায় সব শিশুর হামের উপসর্গ, ২৫ পরিবারে আতঙ্ক

নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:১২
এক পাড়ায় প্রায় সব শিশুর হামের উপসর্গ, ২৫ পরিবারে আতঙ্ক

সংগৃহীত ছবি

দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় এক শিশুর পর আরেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কারও জ্বর কারও সর্দি-কাশি, আবার কারও শরীরে উঠেছে লালচে দাগ। মাত্র ২৫ পরিবারের বসতি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির দৌছড়ি ইউনিয়নের ইয়াংনি ম্রো পাড়ায় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে এমন হামসদৃশ উপসর্গ।

স্থানীয়দের দাবি, আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত নয় শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এতে পুরো পাড়াজুড়ে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দুটি মেডিকেল টিম দুর্গম ইয়াংনি ম্রো পাড়ায় গিয়ে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন

চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে লঞ্চ ভাড়া বাড়ল, কমছে যাত্রী

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়াংনি ম্রো পাড়ায় শিশুদের অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবুল মনজুরের উদ্যোগে দুটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। পাঁচ সদস্যের একটি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডা. নিতাই চন্দ্র। টিমগুলো পাড়ায় গিয়ে আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সরেজমিন ইয়াংনি ম্রো পাড়ায় গিয়ে দেখা যায় কয়েকটি পরিবারের বেশ কয়েকজন শিশুর শরীরে জ্বর সর্দি-কাশি ও লালচে দাগসহ হামের মতো উপসর্গ রয়েছে। গত কিছু দিন ধরে এক শিশুর পর আরেক শিশু একই ধরনের উপসর্গে আক্রান্ত হচ্ছে। অসুস্থ হয়ে অনেক শিশু দুর্বল হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে দুখা (পিতা চুরইন), চিরন (পিতা দুখা), পন (স্বামী দুখা), কাঞ্চন (পিতা দুখা), চংওয়াই (পিতা চিরন), চাউরুন (পিতা চিরন), তংপুং (পিতা কাঞ্চন), চুংঅং (পিতা কাঞ্চন) ও তুমহ্লে (পিতা কাঞ্চন)। তারা সবাই দৌছড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াংনি ম্রো পাড়ার বাসিন্দা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় পাড়াটিতে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন। অসুস্থ শিশুদের দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা। ফলে একই সময়ে একাধিক শিশুর মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল বলেন, কয়েক দিন ধরে শিশুদের জ্বর ও শরীরে লাল লাল দাগ দেখা যাচ্ছে। এক শিশুর পর আরেক শিশুর একই সমস্যা হচ্ছে। আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। দুর্গম এলাকা হওয়ায় অসুস্থ শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন। তবে খবর পেয়ে চিকিৎসকদের টিম এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ক্যাং অং চাক বলেন, এখানে নিয়মিত চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী আসেন না। এখন রোগের খবর পেয়ে চিকিৎসকদের টিম এসেছে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করলে আসলে কী হয়েছে, তা বোঝা যাবে।

আরও পড়ুন

পরিবার নিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার পথে সড়কে মৃত্যু যুবকের

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবুল মনজুর বলেন, সারা দেশেই বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। তবে নাইক্ষ্যংছড়িতে সামগ্রিকভাবে হাম রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে। এর মধ্যেই দুর্গম একটি ম্রো পাড়ায় নয়জন শিশুর হাম আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আরও বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ব্লক রয়েছে। সেখানে রামু এলাকার দুই শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর আগে প্রায় এক সপ্তাহ আগে ১২ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এনামুল হাসান বলেন, দুর্গম ইয়াংনি ম্রো পাড়ায় শিশুদের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে দেখা হচ্ছে। খবর পাওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসা টিম পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা বেশি ঝুঁকিতে বা বেশি আক্রান্ত হয়েছে, তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে, যাতে দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া যায়।

নাইক্ষ্যংছড়ি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: