গাংনীতে বিএনপি নেতার নাম ভাঙিয়ে জমি দখল, লুটপাট

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে গাড়াবাড়িয়া গ্রামে সাংবাদিকদের কাছে ভুক্তভোগীরা ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন, ছবি: আগামীর সময়
মেহেরপুরের গাংনীতে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী মজিদুল ইসলাম ও তার ভাই মহিরুল ইসলাম। তারা নিজেদের বিএনপির কর্মী-সমর্থক দাবি করছেন।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে গাড়াবাড়িয়া গ্রামে সাংবাদিকদের কাছে ভুক্তভোগীরা ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।
তাদের দাবি, মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টনের নাম ব্যবহার করে সাজ্জাদ হোসেন পলাশ এলাকায় ভয়ভীতি, জমি দখল, চাঁদাবাজি, হামলা-মামলার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
মজিদুল ইসলাম দাবি করেন, পাঁচ বছর আগে জেলা জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানের কাছ থেকে সাড়ে ১৬ শতক জমি কেনেন। জমির বৈধ কাগজপত্র ও রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও সাজ্জাদ তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় মখলেছুর রহমান, আবুল কালামসহ কয়েকজন তার জমিতে থাকা ঘরবাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে দখল করে নেন।
এ ঘটনায় মজিদুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ১৪ জুন মখলেছুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, মামলার পর থেকে বিবাদীপক্ষের লোকজন মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। এ কারণে তারা পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাজ্জাদ হোসেন পলাশ উল্লেখ করেন, পারিবারিকভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ কারণেই প্রতিপক্ষের লোকজন তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করছে বলে দাবি করেন তিনি।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টন অভিযোগকে ‘নোংরা রাজনীতির অংশ’ হিসেবে আখ্যা দেন।
তিনি বললেন, তার নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে দল তা কখনো প্রশ্রয় দেয় না। দলের কোনো কর্মী বা সমর্থক এমন কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




