শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহের জেরে বাড়িতে আগুন

পানের বরজের মালিক জাহাঙ্গীরের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। ছবি: সংগৃহীত
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মুসলিমা (৬) নামে এক শিশুর গলা কাটা ও বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় একটি পানের বরজের পাশ থেকে পলিথিনে মোড়ানো বস্তার ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসলিমা মোল্লাহাট উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, শনিবার বিকেলে বাড়ির আশপাশে সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে খেলছিল মুসলিমা। একপর্যায়ে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়রা মো. জাহাঙ্গীর শেখের পানের বরজের পাশে পলিথিনে মোড়ানো একটি বস্তা দেখতে পান। পরে বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।
খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার কারণ এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পানের বরজের মালিক জাহাঙ্গীরের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে বলে জানান মোল্লাহাট থানার ওসি শাহাদাত হোসেন।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’




