জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

জিতেশ চন্দ্র গোপ। সংগৃহীত ছবি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নাকে (৩৪) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে জিতেশ চন্দ্র গোপ নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া লাশ গুমের চেষ্টা করার অপরাধে তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এই রায় দেন।
জ্যোৎস্নার জগন্নাথপুরের নারকেলতলা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী ছরকু মিয়ার স্ত্রী।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া জিতেশের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টের ব্যারিস্টার মির্জা আব্দুল মতিন মার্কেটের তালাবদ্ধ অভি মেডিকেল হল থেকে জ্যোৎস্নার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জোৎস্না কিছুদিন ধরে স্ত্রীরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। গোপন সমস্যার কথা স্থানীয় অভি মেডিকেল হলের মালিক জিতেশকে জানালে তিনি তাকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন। ফার্মেসিতে ওষুধ আনতে গেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তিনি। ধর্ষণের কথা সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে জিতেশসহ তিনজন তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ফল কাটার ছুরি দিয়ে মরদেহ ছয় টুকরা করা হয়। এরপর দোকানে থাকা ওষুধের কার্টন দিয়ে খণ্ডিত অংশগুলো ঢেকে রেখে তারা ফার্মেসি তালা দিয়ে পালিয়ে যান। সুবিধাজনক সময়ে মরদেহের খণ্ডিত অংশগুলো মাছের খামারে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল আসামিদের।
ঘটনার দিনই জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই হেলাল উদ্দিন।




