দিনাজপুরে ভোরের কুয়াশায় শীতের আবহ, কমছে রাতের তাপমাত্রা

ভোরের দিকে ফসলের ক্ষেত ও গ্রামীণ মেঠো পথে হালকা কুয়াশা জমতে দেখা যাচ্ছে। ছবি: আগামীর সময়
আশ্বিনের শেষভাগে এসে উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা দিনাজপুরে উঁকি দিতে শুরু করেছে শীত। গত কয়েক দিন ধরে দিনের বেলায় রোদের কারণে গরম থাকলেও, সূর্য ডোবার পরপরই পাল্টে যাচ্ছে আবহাওয়া। মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে মৃদু ঠান্ডা, যার ফলে কমতে শুরু করেছে রাতের তাপমাত্রা।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, অক্টোবর মাসের শুরু থেকেই জেলায় আবহাওয়ার এ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির ওপরে থাকলেও শেষ রাতে তা কমে ২২ থেকে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসছে। দিনের গরম আর রাতের এ ঠান্ডার কারণে প্রকৃতিতে এখন বিরাজ করছে এক অন্যরকম আমেজ।
আবহাওয়াবিদ ও স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক হালকা বৃষ্টিপাতের কারণে বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এর ফলে ভোরের দিকে ফসলের ক্ষেত ও গ্রামীণ মেঠো পথে হালকা কুয়াশা জমতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ভোরবেলা কুয়াশার চাদর ভেদ করে সূর্যের আলো ফুটছে, যা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।
এদিকে হঠাৎ আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনের ফলে ঘরে ঘরে ফ্যান বন্ধ করে কাঁথা বা হালকা চাদর গায়ে জড়াতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।
পার্বতীপুর উপজেলার বাসিন্দা আকবর আলী জানান, এবার কিছুটা আগেভাগেই শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। তবে দিনে গরম ও রাতে ঠান্ডা পড়ার কারণে সর্দি-কাশিসহ ঋতু পরিবর্তনজনিত নানা রোগের প্রকোপও কিছুটা বাড়ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে আরও কমতে পারে এবং আগামী দিনগুলোয় শীতের এ অনুভূতি আরও স্পষ্ট হবে।




