Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

পাবনায় ভেজাল কারবারিদের বাড়বাড়ন্ত

তেল সোডা ডিটারজেন্টে তৈরি হচ্ছে দুধ!

  • ৪৫০ টাকায় প্রস্তুত দেড় হাজার টাকার নকল দুধ
  • অঙ্গহানি বা কিডনি-লিভারের জটিল রোগের শঙ্কা
রিজভী রাইসুল ইসলাম, পাবনা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭
তেল সোডা ডিটারজেন্টে তৈরি হচ্ছে দুধ!

পাবনায় বিষফোড়ার মতো গজিয়েছে দুগ্ধ খামার। পাড়া-মহল্লা ও বাড়িতে বাড়িতে ডেইরি ফার্ম। কিন্তু গরুর ‘গ’ও নেই অধিকাংশের বাড়িতে। তারাই আবার নিয়মিত মণকে মণ দুধ সরবরাহ করছে বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের ‘চিলিং সেন্টারে’। সয়াবিন তেল, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, ইউরিয়া সার, ডিটারজেন্ট পাউডার, কস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে এই তরল; বাহারি মোড়কে পৌঁছে যাচ্ছে শিশু, রোগীসহ বিভিন্ন মানুষের পাতে। আবার কিছু অসাধু কারবারি বাজার থেকে দুধ কিনে আলাদা করেন ছানা বা ক্রিম। এরপর অবশিষ্ট সাদা পানি ফেলে না দিয়ে রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করছেন নকল দুধ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুধু পাবনার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর ও ফরিদপুরেই নামে-বেনামে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক চিলিং সেন্টার (মান যাচাই ও প্রাথমিক সংরক্ষণাগার)। এর মধ্যে ৯২টি বিভিন্ন স্বনামধন্য কোম্পানির এবং বাকিগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন। এ ছাড়া সাঁথিয়া, বাঘাবাড়ী ও বেড়া উপজেলায়ও রয়েছে অসংখ্য চিলিং সেন্টার। এই বিস্তৃত অঞ্চল বাঘাবাড়ী ঘাটকেন্দ্রিক দেশের দুধ উৎপাদন, সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র।

পাবনার বেড়া, সাঁথিয়া, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ও প্রকাশ্যে চলছে  ভেজাল দুধ তৈরির কারখানা। ভোর থেকে সকাল ৯টা এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এসব কর্মকাণ্ড।

ধবধবে সাদা রঙ, প্রত্যাশিত ঘনত্ব, চর্বির মাত্রাও সামঞ্জস্যপূর্ণ— সাদা চোখে মনে হবে গাভীর খাঁটি দুধ। অথচ দুধ হিসেবে বিক্রি হওয়া এই ঘন রাসায়নিকমিশ্রিত সাদা তরলকে এককথায় বিষ বললে হবে না ভুল! তা দেদার বিক্রি হচ্ছে দেশের নামিদামি দুগ্ধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চিলিং সেন্টার, অনুমোদনহীন দুগ্ধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় হাটবাজারে। প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে এই প্রতারকদের শাস্তি দিলেও তা মুনাফার তুলানায় নগণ্য।

ভেজাল কারবারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি ৪০ লিটার ননিবিহীন সাদা পানিতে (মূল্যহীন তরল) মাত্র ৪৫০ টাকার রাসায়নিক মেশালেই তা রূপ নেয় ‘উচ্চফ্যাটযুক্ত দুধে’। পরে বাজারে সেই নকল দুধ বিক্রি হয় প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকায়। অর্থাৎ, প্রতি ৪০ লিটারে মুনাফা হয় প্রায় ১ হাজার ৭৫০ টাকা। এভাবে দৈনিক মণকে মণ নকল দুধ তৈরি করে মাসে আয় লাখ লাখ টাকা। অন্যদিকে কোনো কারণে বছরে একবার ধরা পড়লেও সর্বোচ্চ শাস্তি লাখ টাকা জরিমানা, যা লাগে না তাদের গায়ে।

নকল দুধ তৈরি ও চিলিং সেন্টারে সরবরাহের প্রক্রিয়া জানতে চাইলে মুখ খুলতে নারাজ কারবারিরা। তবে নাম প্রকাশ না করার প্রতিশ্রুতি দিলে বললেন, ঘরে বসেই অনলাইনে অর্ডার দিলে বা ফোনে কথা বলে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কেনা যায় এসব রাসায়নিক পদার্থ। কুরিয়ারের সরবরাহকারীর মাধ্যমে পৌঁছে যায় কারখানায়। এরপর সেই কৃত্রিম দুধ বিক্রিতে একটু সমস্যা হয়। তবে ৫০০ টাকা ঘুষ দিলেই খুলে যায় চিলিং সেন্টারের দরজা। দাম কম হওয়ায় জেনে-বুঝেই এই ক্ষতিকর তরল কিনছেন বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের স্থানীয় সংগ্রাহকরা।

পাবনায় শাস্তি পাওয়া অবৈধ কারবারি: গত ২৮ সেপ্টেম্বর বেড়া পেচাকোলা ঘাট এলাকার উত্তম ঘোষ ও পলি ঘোষ দম্পতিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে প্রশাসন, যা তাদের জীবনে প্রথম। এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর সাঁথিয়ার নাগডেমড়া এলাকায় জুঁই ডেইরি ফার্মের মালিককে বিভিন্ন কারণে জরিমানা করা হয় ২ লাখ টাকা। এ ছাড়া ফরিদপুরের কেয়া ডেইরি, আমিনা ডেইরি, প্রিমিয়াম ফুড, বেড়ার জয়দেব ঘোষ, ভাঙ্গুড়ার সিংগাড়ি গ্রামে আশরাফুল আলীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে বেড়ার নাকালিয়া ও পেচাকোলা বাজারে ১২ বছর ধরে ভেজাল দুধ তৈরি করে ২ লাখ টাকা জরিমানা গুনেছেন জয়দেব ঘোষ।

ভেজাল কারবারিদের দৌরাত্ম্যে বিপাকে পড়েছেন প্রকৃত খামারিরা। খাঁটি দুধের দাম বেশি হওয়ায় এবং ঘুষ না দেওয়ায় সেগুলো কিনতে চায় না চিলিং সেন্টারগুলো। এমনকি মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি সিন্ডিকেট আছে, যারা চিলিং সেন্টারে দুধ সংগ্রহ করে দেয়, তারা কমিশন না পেয়ে কোণঠাসা করে রাখেন প্রকৃত খামারিদের।

‘অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল দুধ তৈরি করে কম দামে বিক্রি করছেন। এতে নষ্ট হচ্ছে খামারিদের দুধের বাজার। ৫০-৫৫ টাকা লিটারপ্রতি দুধ বিক্রি করে আমাদের উৎপাদন খরচও উঠছে না। নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন প্রকৃত খামারিরা। প্রশাসন দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে এই অঞ্চলের দুগ্ধশিল্প’— আক্ষেপ করে বলছিলেন বাওইখোলা গ্রামের দুগ্ধ খামারি আশরাফুল ইসলাম।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও দুগ্ধ উৎপাদনকারী প্রান্তিক খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে প্রতিদিন সাড়ে চার লাখ লিটার দুধের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে উৎপাদন সাড়ে তিন লাখ লিটার। এর মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার লিটার থেকে দেড় লাখ লিটার মিল্ক ভিটা, পৌনে দুই লাখ লিটার আফতাব, আকিজ, প্রাণ, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকার (ঘোষ) ৫০ থেকে ৫৫ হাজার লিটার, দুই শতাধিক মিষ্টির দোকান ১৫ হাজার লিটার, হাট-বাজারে স্থানীয় ক্রেতারা প্রায় ১০ হাজার লিটার দুধ কেনেন। এ হিসাবে প্রতিদিন দুধের ঘাটতি ৫৫ থেকে ৬০ হাজার লিটার। নকল দুধ তৈরি করে এই ঘাটতি পূরণ করেন অসাধু কারবারিরা।

চাটমোহরের রামনগর গ্রামের ডেইরি খামারি শাকিল হোসেন বলছিলেন, পাবনা ও সিরাজগঞ্জের শতাধিক কারখানায় প্রতিদিন প্রায় ৫৬ হাজার লিটার দুধের ছানা তৈরি করেন ঘোষ ও ব্যবসায়ীরা। ওই পরিমাণ দুধে ছানা ও ফ্যাট আলাদা করার পর ৪০ হাজার ৬০০ লিটার পর্যন্ত সাদা পানি পাওয়া যায়। এই পানি ফেলে না দিয়ে রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করা হয় নকল দুধ।

‘যারা ছানা বা ঘি তৈরি করেন, তারা তো কখনোই নকল বা ভেজাল দুধ কিনবেন না। এ ছাড়া মিষ্টির দোকানগুলোতে ভেজাল দুধ নেওয়ার সুযোগ নেই। তাহলে হাজার হাজার লিটার নকল ও ভেজাল দুধ কোথায় যায়? ঘোষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এই নকল দুধ সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেন বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। সেখানে আসল ও নকল দুধ মিলিয়ে করা হয় প্যাকেজিং’— যোগ করলেন তিনি।

সাঁথিয়ার স্থানীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির সভাপতি ​আবদুল লতিফের দাবি, প্রকৃত খামারিরা কখনোই দুধে ভেজাল মেশান না। অতিরিক্ত লাভের আশায় ভেজাল দুধ সরবরাহ করে কিছু অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী। চিলিং সেন্টারগুলোতে মান যাচাই না করায় তৈরি হয়েছে এই সুযোগ।

​প্রাণ ডেইরির ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন) সৈকত শেখের দাবি, প্রাণ শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে ডিজিটাল সফটওয়্যার ও এলএস মেশিনের মাধ্যমে ১৩-১৪টি ধাপে কড়া পরীক্ষা (এসওপি) চালিয়ে সংগ্রহ করে দুধ। মানদণ্ডে না টিকলে বা সামান্যতম ভেজাল ধরা পড়লে করা হয় প্রত্যাখ্যান। এমনকি পরীক্ষায় ভেজাল ধরা পড়ার পর দুধ গ্রহণ না করায় গত এক বছরে অসাধু চক্রের হামলায় আহত হয়েছেন চিলিং সেন্টারের চার-পাঁচ কর্মী। তবে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান কড়াকড়ি করে এই অপরাধ থামানো সম্ভব নয়। নকল দুধ তৈরির ক্ষতিকর রাসায়নিক বিপণন ও পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে সব দুগ্ধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক করতে হবে অভিন্ন ‘ফিক্সড এসওপি’।

মিল্ক ভিটার অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক ​ডা. সাইদুল ইসলামের ভাষ্য, মিল্ক ভিটার চিলিং সেন্টারগুলোতে দুধ সংগ্রহের সময় প্রতিটি নমুনায় ফ্যাট, এসএনএফ এবং ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি আধুনিক প্রযুক্তিতে ল্যাব পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কোনো দুধে ভেজাল বা রাসায়নিকের উপস্থিতি ধরা পড়লে তা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল ও ধ্বংস করা হয়। কিছু অসাধু ফড়িয়া চক্রের কারণে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এই অঞ্চলের দুগ্ধ খাতের সুনাম।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এম হুমায়ুন কবিরের মতে, ‘প্রাকৃতিক দুধে উপাদানগুলোর স্বাভাবিক ভারসাম্য থাকে। কৃত্রিমভাবে চর্বির মাত্রা নকল করা সম্ভব হলেও এর আসল গঠন ও পুষ্টিমান নকল করা অসম্ভব। প্রাথমিক পরীক্ষায় এই ভেজাল ধরা কঠিন, এর জন্য স্বীকৃত পরীক্ষাগারে সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক পরীক্ষা প্রয়োজন। দুধে পানি, ইউরিয়া, ক্ষার বা ফর্মালডিহাইডের উপস্থিতি নির্ণয়ে আলাদা পরীক্ষার প্রয়োজন। মান যাচাইয়ে জরুরি পদক্ষেপ না নিলে তৈরি হতে পারে মারাত্মক গণস্বাস্থ্যঝুঁকি।’

‘পাবনায় ভেজাল দুধের কারবার মহামারী আকার ধারণ করেছে। ভোজ্য তেল, ডিটারজেন্ট ও কস্টিক সোডা মিশিয়ে তৈরি করা রাসায়নিকযুক্ত দুধ মানবদেহের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিশেষ করে শিশু ও রোগীদের ক্ষেত্রে এটি অঙ্গহানি বা কিডনি-লিভারের দীর্ঘমেয়াদি জটিল রোগের কারণ হতে পারে’— ভেজাল ও নকল দুধের স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলে ধরলেন পাবনার সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ।

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের আক্ষেপ, ভেজাল দুধ প্রতিরোধে নিয়মিত চলছে অভিযান। তবে দুধে মেশানো রাসায়নিক শনাক্তে আধুনিক ল্যাব প্রয়োজন, যা পাবনায় নেই। রাজশাহী থেকে ভ্রাম্যমাণ ল্যাব আসে মাসে মাত্র একবার। জেলায় একটি স্থায়ী ল্যাব স্থাপনের চেষ্টা চলছে। সেটি করা গেলে এই ভেজাল কারবার অনেকাংশেই রোধ করা সম্ভব। 

পাবনাদুধডেইরি ফার্ম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে