Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
পশুপাখির বন্ধু সাইমুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

কুড়িগ্রামে সোনালি আঁশের বিবর্ণ রূপ

  • খালবিলে পানি না থাকায় পাট জাগ দিতে পারছেন না
  • কৃষক
তামজিদ হাসান তুরাগ, কুড়িগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪
কুড়িগ্রামে সোনালি আঁশের বিবর্ণ রূপ

ছবি: আগামীর সময়

  কুড়িগ্রামে পাটের ফলন হয়েছে ভালো। মাঠ জুড়ে কাটা পাটের স্তূপ। কিন্তু সেই পাট জাগ দেওয়ার মতো পানি নেই। শ্রাবণ-ভাদ্র মাসেও পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় শুকিয়ে গেছে অনেক নিচু জমি, কমেছে বিল-ঝিলের পানি। বাধ্য হয়ে অল্প পানির বদ্ধ জলাশয়ে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাট জাগ দিচ্ছেন কৃষকরা। এতে আঁশের স্বাভাবিক রঙ ও মান নষ্ট হচ্ছে। বাজারে চাহিদা থাকলেও মান খারাপ হওয়ায় দাম কম বলছেন পাইকাররা।

তবে নদীতীরবর্তী এলাকার চিত্র কিছুটা ভিন্ন। প্রবহমান পানির সুবিধা থাকায় এসব এলাকার কৃষকরা নদীতে পাট জাগ দিতে পারছেন। এতে আঁশের রঙ ও মান তুলনামূলক ভালো হচ্ছে এবং বাজারে দামও মিলছে ভালো। অর্থাৎ একই জেলায় পাটের ফলন ভালো হলেও জাগ দেওয়ার পানির উৎসের ওপর নির্ভর করছে অনেকটা এর মান ও দাম।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি মৌসুমে জেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে। সেখানে চাষ হয়েছে ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টরে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৩০ হেক্টরের পাট কাটা হয়েছে। কয়েক বছর আগেও জেলায় প্রায় ৪০ হাজার হেক্টরে পাট চাষ হতো। বর্তমানে সেই আবাদ কমে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টরে নেমে এসেছে।

সদর উপজেলার আরাজী পলাশবাড়ী এলাকার কৃষক মমিন মিয়ার ভাষ্য, তার বাড়ির পাশে নিচু জমি থাকলেও এবার বৃষ্টির অভাবে সেখানে পানি জমেনি। তাই পাশের আরেকটি নিচু জমিতে পাট জাগ দিতে হয়েছে। সেখানে অনেক কৃষক একইভাবে পাট জাগ দেওয়ায় আঁশের রঙ ভালো হচ্ছে না। বদ্ধ পানিতে জাগ দেওয়া পাটের দাম পাইকাররা কম বলেন।

একই সমস্যায় পড়েছেন মজিদ আলী। তিনি এবার ১০ একর জমিতে পাট চাষ করেছেন। ফলন ভালো হলেও একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাট জাগ দেওয়া নিয়ে তাকে পড়তে হয়েছে বিপাকে। ‘বৃষ্টি না থাকায় জমিতে পানি নেই। তাই অল্প জায়গায় পাট জাগ দিতে বাধ্য হয়েছি। ভালোভাবে জাগ দিতে না পারলে পাটের দাম কমে যায়’— বললেন এই কৃষক।

তবে নদীর কাছাকাছি থাকা কৃষকদের অভিজ্ঞতা কিছুটা আশাব্যঞ্জক। তাদের একজন বশির মিয়া। ভালো ফলনের পাশাপাশি পাটের মানও ভালো রাখতে তিনি বাড়তি খরচ করে নদীর তীরে পাট নিয়ে জাগ দিয়েছেন। পাটের ওপর কচুরিপানা দিয়ে সূর্যের আলো থেকে আঁশকে আড়াল করেছেন। এতে রঙ ভালো হয়েছে এবং বাজারে তিনি ভালো দাম পেয়েছেন।

কুড়িগ্রামের অন্যতম বড় পাটের হাট যাত্রাপুরে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করেন শরীফ আলম। তার ভাষায়, নদীপাড়ে হাট হওয়ায় এখানে
 চরাঞ্চল থেকে বেশি পাট আসে। গত বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম ভালো। তবে মানভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে। বর্তমানে গড়ে এক মণ পাট ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। নদীর বাইরে বদ্ধ জলাশয়ে জাগ দেওয়া পাটের মান তুলনামূলক খারাপ।

বাজারের এই পার্থক্যের পেছনে জাগ দেওয়ার পদ্ধতিকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন কৃষি কর্মকর্তারাও। কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. মেহেদী হাসান বললেন,
‘আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবার সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়নি। এতে পাট জাগ দেওয়া নিয়ে কৃষকরা
সমস্যায় পড়েছেন। কিছু এলাকায় আঁশের মানও খারাপ হয়েছে।’ তার মতে, প্রবহমান পানিতে পাট জাগ দেওয়া হলে আঁশের মান ভালো থাকে।

 

কুড়িগ্রামসোনালি আঁশপাট
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement placeholder
    Advertisement placeholder
    ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

    ডিসেম্বরে ফেরা হচ্ছে না হাসিনার

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭

    বিএনপি সরকারের প্রথম মেট্রো, শিগগিরই একনেকে উঠছে প্রকল্প

    বিএনপি সরকারের প্রথম মেট্রো, শিগগিরই একনেকে উঠছে প্রকল্প

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭

    এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

    এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাদানে বৈচিত্র্য প্রয়োজন

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    বাণিজ্যে জটিলতা কাটাতে ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

    বাণিজ্যে জটিলতা কাটাতে ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    পদোন্নতি পেলেন, কিন্তু পোস্টিং দূরে, সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

    পদোন্নতি পেলেন, কিন্তু পোস্টিং দূরে, সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬

    রাবির ভালোবাসা নিয়ে বড় পর্দায় ‘চিরকুট’

    রাবির ভালোবাসা নিয়ে বড় পর্দায় ‘চিরকুট’

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫

    অটোরিকশার এই বিশাল বাজার তৈরি হলো কেন

    অটোরিকশার এই বিশাল বাজার তৈরি হলো কেন

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪

    কনফিউশন নয় সল্যুশন চাই

    কনফিউশন নয় সল্যুশন চাই

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪

    এখনো গলার কাঁটা

    এখনো গলার কাঁটা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩

    লংমার্চের পথসভা থেকে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    লংমার্চের পথসভা থেকে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:০৩

    এমবিবিএস পড়ে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে এই ৮ জন হয়েছেন নায়িকা

    এমবিবিএস পড়ে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে এই ৮ জন হয়েছেন নায়িকা

    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৪৪

    জামিন পেলেন বিদিশা, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

    জামিন পেলেন বিদিশা, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৪

    বিতর্কিত আবু জাফরকে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি নিয়োগে তোড়জোড়

    বিতর্কিত আবু জাফরকে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি নিয়োগে তোড়জোড়

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৭

    ৫ পরিবারে ৮ খুন, এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা

    ৫ পরিবারে ৮ খুন, এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা

    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২

    advertiseadvertise