মুকসুদপুর
বেধড়ক মারধরে মাদ্রাসাছাত্র আহত, পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মাদ্রাসাছাত্র আহম্মদ মোল্লাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক এনামুল মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে মুকসুদপুর থানা।
আহত আহম্মদ মোল্লা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। সে উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কায়দা পড়ুয়া ছাত্র।
অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। আহম্মদ মোল্লার নামে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ দিয়ে, মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বললেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমার ছেলেকে এমন নির্দয়ভাবে পেটানো হয়েছে। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে এভাবে পেটানো হয়েছে। আমি এই শিক্ষকের কঠোর শাস্তি চাই।
অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক বললেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বললেন, শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে আমাদের হেফাজতে রেখেছি। ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




