আগামীর সময়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

ঈদের আর মাত্র দুই দিন বাকি। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে নাড়ির টানে ঘরে ফিরছে লাখো মানুষ। এতে বেড়েছে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতি তৈরি হয়েছে, ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত চাপের কারণে যাত্রীরা বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। মহাসড়কে বাসের তুলনায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি চোখে পড়েছে। অনেকে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করছেন। পরিবহন সংকট ও দ্বিগুণ ভাড়ার কারণে অনেকেই খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাতায়াত করছেন।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ছিল ৩২ হাজার ৮৪০টি, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। অন্যদিকে ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় বুধবার ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত চার দিনে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন যমুনা সেতু অতিক্রম করেছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ধীরগতির সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট নিরসনে কাজ চলছে এবং যাত্রীরা ধীরগতির মধ্যেও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।

    শেয়ার করুন: