কুষ্টিয়া
আ. লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিএনপি নেতাকর্মীর থানা ঘেরাও

কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিএনপি নেতাকর্মীর থানা ঘেরাও— সংগৃহীত
কুষ্টিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
আজ রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়া পৌরসভার বিজয় উল্লাস চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। এরপর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সবশেষে কুষ্টিয়া মডেল থানা ঘেরাও করে প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয় বিক্ষোভকারীরা।
এ কর্মসুচিতে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, ছাত্রদলসহ বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বললেন, যে সংগঠন কার্যক্রম নিষিদ্ধ, তাদের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, মিছিল করছে অথচ প্রশাসন নীরব দর্শক। বিশেষ করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদকে নিয়ে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে, যা চরম ধৃষ্টতা।
কম সময়ে তিন গোল
২১ জুন ২০২৬
এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল মাজেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আব্দুল হাকিম মাসুদ, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমন, ইবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, সদর থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আওয়াল বাদশা, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান জনি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকার পারভেজ জীবন, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামির হোসেন, সদর থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সজিব হোসেন, পলিটেকনিক ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাদের প্রমূখ।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেছেন, ‘বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা তাদের কর্মসূচি শেষে থানায় এসেছিলেন। তারা এলাকার আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি রক্ষার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি, যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’





