ভোরে মারা গেলেন স্বামী, সকালে সড়কে ঝরল স্ত্রীর প্রাণ

ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভোরে মারা গেছেন ইসমাইল হোসেন। স্ত্রী-ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মরদেহ নিয়ে সকালে ফিরছিলেন বাড়ি। পথে তাদের বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সে ধাক্কা দেয় বাস। প্রাণ হারালেন ইসমাইলের স্ত্রী জাহানারা বেগম। দুজনের মৃত্যুর ব্যবধান ৪ ঘণ্টা।
আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে নড়াইল-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের বাদশার গ্যারেজ এলাকায় ঘটেছে এ দুর্ঘটনা। নিহত হয়েছেন অ্যাম্বুলেন্সচালক লক্ষ্মীপুরের রামগাতি উপজেলার পূর্বচরকলাকোপা গ্রামের আকবার হোসেনও (৩০)।
আহতরা হলেন ঢাকায় পুলিশ স্টাফ কলেজে কর্মরত এসআই আবু তাহেরসহ পরিবারটির পাঁচ সদস্য। অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন এই পরিবারের ৯ স্বজন।
নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু এসব নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়াগামী একটি বাস ওই মহাসড়কের বাদশা গ্যারেজ এলাকায় যশোরগামী লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এসআই তাহেরের মা জাহানারা ও অ্যাম্বুলেন্সচালক আকবার।
আহত তাহেরসহ পাঁচজনকে নড়াইল জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সদর থানার ওসি অজয় জানালেন, ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এসআই তাহেরের বাবা ইসমাইল। আজ ভোর ৪টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ দাফনের জন্য বাড়ি নিতে এসেছিলেন স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনরা। অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ যশোর নেওয়ার পথে ঘটল এ দুর্ঘটনা।





