বেনাপোল দিয়ে দুই মাসে এলো সাড়ে ৩ লাখ কেজি ভারতীয় ইলিশ

সংগৃহীত ছবি
জুলাই ও আগস্টে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি হয়েছে। এসব মাছ ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আমদানি করেছে। আমদানিকৃত ইলিশের মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১০ টাকা।
বেনাপোল ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জুলাই মাসে তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়। এসব ইলিশের আমদানি মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা।
আগস্ট মাসে ১৯টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আরও ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ইলিশ আমদানি করা হয়েছে। এ মাসে আমদানি করা ইলিশের মূল্য ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনাপোলের মেসার্স সততা ফিশ, মেসার্স রাব্বি এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সততা ফিশ ফিড ও মেসার্স ফেমাস ট্রেডার্সসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে।
আমদানিকারক জিয়াউর রহমানের ভাষ্য, ভারত থেকে আমদানি করা এসব ইলিশ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে। তার দাবি, ক্রেতারা প্রায়ই প্রতারিত হচ্ছেন। কোনটি বাংলাদেশি আর কোনটি ভারতীয় ইলিশ, তা চেনা কঠিন। এসব ইলিশ খেতে তেমন একটা টেস্ট নেই। এ অঞ্চলের মানুষ এই মাছ কেনেন না এবং এখানে তেমন বিক্রিও হয় না।
বেনাপোল বাজারে বর্তমানে ৫০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং বড় আকারের ইলিশ ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ২ কেজি ওজনের ভারতীয় ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আমদানিকৃত এসব ইলিশ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। আমদানিকারক জিয়াউর রহমানের অভিযোগ, কোথাও কোথাও ভারতীয় ইলিশকে বাংলাদেশি ইলিশ হিসেবে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।




