মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণ, আটক শিক্ষক

কুমিল্লায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে (৮) ধর্ষণের অভিযোগে আতিক উল্লাহ নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্তকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টাকালে জনতার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে কর্মকর্তাসহ অন্তত সাত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আজ বুধবার বরুড়ার আড্ডা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, ফয়জুনে মদিনা মডেল মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আতিক উল্লাহর বিরুদ্ধে। খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসা ও আড্ডা বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় জমে। ঘটনাস্থলে যায় বরুড়া থানা পুলিশের একটি দল।
ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থী জানায়, আবাসিক ওই মাদ্রাসায় রাতের খাবারের পর অন্যরা ঘুমিয়ে গেলে তাকে ও আরেক ছাত্রকে অফিসকক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে অপর শিক্ষার্থী চলে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক তার সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করেন এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বলেন।
পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নেওয়ার পর উত্তেজিত জনতার কয়েকজন তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। এতে উপ পরিদর্শক মিশন চৌধুরীসহ ৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে অভিযুক্তকে ভ্যানে তুলে বরুড়া থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
আটক আতিক উল্লাহ উপজেলার শশাইয়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার বললেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’







