মেঘনা নদীতে ফেলে আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মেঘনা নদীতে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে ও ঘাটে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পান তিনি।
ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ হাতিয়া উপজেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং হাতিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি।
গতকাল শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন তিনি। এর আগে গত শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদ জেলার বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় তার ছেলের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আসেন। সামাজিক মাধ্যমে ফেরি চলাচল সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেখে তারা সেখানে পৌঁছেছিলেন। পরে জানতে পারেন, রাতের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এরপর হাতিয়ায় ফেরার জন্য একটি ট্রলার ভাড়া করা হয়। পরিবারের সদস্যদের ট্রলারে তুলে দেওয়ার পর তিনি নিজে ট্রলারে উঠতে গেলে পেছন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি মেঘনা নদীতে পড়ে যান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘাট এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার পর কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ও হৈচৈ করতে করতে স্থান ত্যাগ করেন। পরে স্থানীয় জেলে ও ঘাটে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন।
অ্যাডভোকেট ছাইফউদ্দিন আহাম্মদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠার সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি সামাজিক মাধ্যমে দেখেছেন। তবে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত নন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান।




