জিডি করায় চাচাকে রডের আঘাতে জখমের অভিযোগ

আহত শাহ আলম
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মারধরের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে রডের আঘাতে জখম করার অভিযোগ উঠেছে তার ভাতিজাদের বিরুদ্ধে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর গ্রামে। আহত শাহ আলমকে (৪৩) উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ছয়টি সেলাই লেগেছে তার মাথায়।
স্থানীয় সূত্র ও লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, শাহ আলমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ চলছিল তার বড় ভাই কামাল হোসেনের সঙ্গে। এর জেরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে কামাল হোসেনের ছেলে তাহের আলী ও সাগর মিয়া শাহ আলমকে মারধর করেন বলে রয়েছে অভিযোগ। ওই ঘটনায় তিতাস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন শাহ আলম। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা হওয়ায় জিডি প্রত্যাহার করেন তিনি।
আজ বুধবার সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে শাহ আলমের আরেক ভাতিজি জামাই রুবেল মিয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় তাহের আলী, সাগর, ফাহিম, রিফাত ও ফারুকের। একপর্যায়ে তারা লাঠি ও লোহার রড নিয়ে রুবেলের ওপর হামলার চেষ্টা করেন বলে করা হয়েছে অভিযোগ।
এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে শাহ আলম এগিয়ে গেলে তাহের আলী তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন বলে রয়েছে অভিযোগ। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়।
শাহ আলম উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। কয়েক দিন আগে তাকে মারধরের ঘটনায় থানায় জিডি করেছিলেন।
তার ভাষ্য, বুধবার ভাতিজি জামাই রুবেলকে মারধরের চেষ্টা হলে তিনি বাধা দিতে যান। তখন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিতে থানায় গেলে সেখানেও প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে মারধর করে। এ ঘটনার সাক্ষী পুলিশ সদস্যরাও রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন শাহ আলম।
তিতাস থানার ওসি মমিরুল হক আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, মারামারির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।




