কাব্যপালা মহুয়া মঞ্চে আনল প্রমা

ছবি: আগামীর সময়
গারো পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে দস্যু দলপতি হুমরা বাইদ্যার বসবাস। সঙ্গে চুরি করে আনা ব্রাহ্মণকন্যা মহুয়া। সাপ আর বিষাক্ত ছুরির খেলায় আদরের পালিত কন্যাকে করে তোলেন বিশেষ পারদর্শী। সেই খেলা দেখাতে গিয়েই মহুয়ার প্রেম হয় বামনকান্দার জমিদার নদের চাঁদের সঙ্গে। কিন্তু সমাজ কী আর মেনে নেয় বেদে আর জমিদারের প্রেম!
দস্যুপতি হুমরা তক্ষকের বিষ দিয়ে নদের চাঁদকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি দিয়ে বলেন নদের চাঁদকে হত্যা করতে। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে মহুয়া চাঁদ দুজনই আত্মবিসর্জনের মধ্য দিয়ে জয় করেন প্রেমকে। প্রমাণ করেন ভালোবাসা শ্বাশ্বত।
দ্বিজ কানাইয়ের কাব্যপালা ‘মহুয়া’র ধ্রুপদী প্রেমের উপাখ্যান অপূর্ব শিল্পকুশলতায় মঞ্চে তুলে ধরলেন প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পীরা। গত শুক্রবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে হয়ে গেল মহুয়ার পঞ্চম মঞ্চায়ন। মঞ্চে মহুয়া চরিত্রের মধ্য দিয়ে সর্বংসহা বাঙালির নারীর চিরকালীন প্রেমচেতনা, প্রত্যাশা, হতাশা, না-পাওয়ার যন্ত্রণাকে মূর্ত করে তোলেন হৈমন্তী শুক্লা মল্লিক। মঞ্চে মহুয়া চরিত্রের মধ্য দিয়ে সর্বংসহা বাঙালির নারীর চিরকালীন প্রেমচেতনা, প্রত্যাশা, হতাশা, না-পাওয়ার যন্ত্রণাকে মূর্ত করে তোলেন হৈমন্তী শুক্লা মল্লিক। মানব-মানবীর চিরন্তন প্রেম আকাঙ্ক্ষাকে শৈল্পিক রূপ দেন নদের চাঁদ চরিত্রে মনজুর মুন্না। আরও শিল্পী সহযোগে প্রেম-বিষাদের এ কাহিনী পূর্ণতা পায় মঞ্চে।
প্রমার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালের নির্দেশনা, মনজুর মুন্নার গ্রন্থনায় কাব্যপালাটি হল উপচে পড়া দর্শকের সামনে পরিবেশিত হলো। বাপ্পা চৌধুরী ও কংকন দাশের যৌথ প্রযোজনা ভাবনায় সংগীত লিটন নন্দী ও সৈয়দা হুজ্জাতুন নূর আকা, তবলায় রানা বড়ুয়া ও বাঁশিতে ছিলেন বিকাশ নন্দী নিউটন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রমা’র সভাপতি রাশেদ হাসান।








