লংমার্চে সরকারের ভূমিকা নিয়ে জামায়াত-এনসিপির ভিন্ন বক্তব্য

লংমার্চ নিয়ে চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি। ছবি: আগামীর সময়
১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চে সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির কাছ থেকে মিলেছে ভিন্ন বক্তব্য। আজ শুক্রবার ডাকা সংবাদ সম্মেলনে সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচিতে বাধার অভিযোগ তুলেছে এনসিপি। তবে গতকাল জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল, লংমার্চে প্রশাসন আন্তরিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
এনসিপির সংবাদ সম্মেলনটি হয়েছে আজ শুক্রবার সকালে নগরীর চকবাজারের চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির কার্যালয়ে।
মহানগর এনসিপির সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, ‘আমরা জনদাবি নিয়ে মাঠে নামলেও সরকার ক্রমাগত আমাদের বাধা দিচ্ছে। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের জন্য নির্ধারিত ভিআইপি কক্ষগুলো দুই মন্ত্রীর নামে বুকিং দেখিয়ে তাদের থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এ ধরনের কোনো অপরাজনীতির চেষ্টা জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।’
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চের পুরো রুট লোকে-লোকারণ্য হয়ে যাবে বলে মনে করছেন আরিফ মঈনুদ্দিন।
এনসিপি জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে আগামীকাল শনিবার সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু হবে। বিকাল সোয়া ৫টায় চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘী ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজাউদ্দিন ও মহানগরের আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইবও বক্তব্য রাখেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান জানিয়েছিলেন, লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। প্রশাসন আন্তরিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এর ফলে কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই বলে মনে করছেন তারা।






