‘লংমার্চে প্রশাসনের সহযোগিতার আশ্বাস’

চট্টগ্রামের দেওয়ান বাজারে নগর জামায়াতের কার্যালয়ে লংমার্চ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন
এগারো দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচিতে সরকার বাধা দেবে না বলে মনে করছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।
তিনি জানালেন, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে তারা আন্তরিক সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর দেওয়ান বাজারে নগর জামায়াতের কার্যালয়ে লংমার্চকে সামনে রেখে করা সংবাদ সম্মেলনে একথা জানালেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়েছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের সংকট, সারের সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।
লংমার্চের সমাপনী কর্মসূচি হিসেবে ওইদিন বিকাল সোয়া ৫টায় চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে সমাবেশ হবে।
তিনি বললেন, ‘প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের মিটিং হয়েছে। তারা আমাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা কোনো ধরনের ঝুঁকি এখনো মনে করছি না। এরপরও যদি কোনো ঝুঁকি পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়, তাতে জনস্রোত ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।’
অবশ্য লংমার্চে বাধা দিয়ে কেউ পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাইলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জ্বালানি সংকটের মধ্যে দুই লাখ লিটার তেল পুড়িয়ে লংমার্চ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সমালোচনার জবাবও দেন শাহজাহান।
তিনি বললেন, ‘দেশে যে তেল-গ্যাস ও জ্বালানি সংকট চলছে তা স্বীকার করার জন্য প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।’
‘সরকার যদি ১১ দলকে গুরুত্ব দিয়ে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করত এবং নিজেদের স্বার্থে বিভিন্ন সংস্কার অধ্যাদেশ বাতিল না করত, তবে দেশকে আজ এই সংকটে পড়তে হতো না’— যোগ করেন মুহাম্মদ শাহজাহান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, মহানগরে খেলাফত মজলিসের সভাপতি এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইবসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।






