কক্সবাজার
হেঁটে হেঁটে পর্যটকদের অভিযোগ শুনলেন তিন প্রতিমন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারকে আগামী দিনে একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘পর্যটন হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
আজ শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শনকালে তিনি এই কথা জানান।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে নিয়ে তিনি সৈকতে আসেন।
সরকারের এই তিন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ছুটির দিনে সৈকতে আসা হাজার হাজার পর্যটকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তাদের সার্বিক সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন।
শুক্রবার বিকালে তিন প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী পয়েন্ট থেকে শুরু করে সুগন্ধা পয়েন্ট হয়ে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ এলাকা পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন।
এ সময় তারা সৈকতে থাকা সাধারণ দর্শনার্থী, নারী, শিশু ও প্রবীণ পর্যটকদের কাছে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা সরাসরি জানতে চান।
সমুদ্র সৈকত এলাকার বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা, টুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির তৎপরতা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজ নিয়ে প্রতিমন্ত্রীরা পর্যটকদের মতামত জানতে চান তারা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সর্বস্তরের পর্যটকরা এ সময় প্রতিমন্ত্রীদের কাছে তাদের অভাব-অভিযোগের কথা জানান। তারা সৈকতের বর্তমান চমৎকার নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই আধুনিক ব্যবস্থাপনা আগামীতেও অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পর্যটন সুবিধা আরও বাড়ানোর দাবি জানান।
পর্যটকদের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পর্যটন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আগামী দিনে কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে একটি বৈশ্বিক পর্যটন হাব গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।’
শুধু কক্সবাজারই নয়, বাংলাদেশের অন্যান্য সব পর্যটন কেন্দ্রগুলোয় অত্যাধুনিক হোটেল-মোটেল ও আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো স্থাপন করে সেগুলোকে সম্পূর্ণ পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তোলা হবে, যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক, টুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপারসহ (এসপি) প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




