Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে খোকনের ‘পথ পাঠাগার’
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের পাহাড়ে ‘দখল বাণিজ্য’, ছিল আওয়ামী লীগের এখন বিএনপির

প্রণব বল, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১৩:৫২
চট্টগ্রামের পাহাড়ে ‘দখল বাণিজ্য’, ছিল আওয়ামী লীগের এখন বিএনপির

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

জহুরুল আলম ওরফে জসিম। চট্টগ্রাম নগরের উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ দলীয় কাউন্সিলর ছিলেন। দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আকবারশাহ এলাকার নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে। পাহাড় দখল-বেদখল, বিদ্যুৎ, পানিসহ সেবা সংযোগ বেচাকেনা যাবতীয় বাণিজ্য হতো তার ইশারায়। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর আধিপত্যবাদেও রদবদল।

বিগত দুই বছর ধরে জসিমের স্থান দখলে নিয়েছেন থানা যুবদলের সাবেক সদস্যসচিব ইলিয়াছ খান, মোহাম্মদ রাসেলসহ অন্যরা।

আকবরশাহ এলাকার মতো নগরের অন্য সরকারি-বেসরকারি পাহাড়গুলোয় চলছে এখন বিএনপির থানা-ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের আধিপত্য। জেলা প্রশাসনের হিসাবে নগরের ২৬ পাহাড়ে প্রায় আট হাজার পরিবারের অবৈধ বসতি রয়েছে। তবে সরকারি অন্য সংস্থা এবং বেসরকারি হিসাবে পরিবারের সংখ্যা লাখের কাছাকাছি।

২০০৭ সালের ১১ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে চট্টগ্রামে ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর পর থেকে পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি বন্ধ করাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সামনে আসে।

নগরের শেরশাহ, বাংলাবাজার, মতিঝরনা, বাটালি পাহাড়, খুলশী, জালালাবাদ ও জঙ্গল ছলিমপুরের এসব পাহাড়ের অবস্থান। নিম্ন কিংবা নিম্নমধ্যবিত্ত আয়ের লোকজন দিয়ে পাহাড়ে বসতি গড়ে তোলা হয়। এর পেছনে থাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে মূল দখলদারেরা।

পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন সভায় পাহাড় দখলদার গডফাদারদের তালিকা করার বিষয়ে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু সেই তালিকা হয়নি গত ১৭ বছরেও।

জানতে চাইলে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন বলেছেন, ‘এটা ঠিক যে, বসবাসকারীদের পেছনে ক্ষমতাশালীরা থাকে। সেটি আপনারাও জানেন। তাদের তালিকা করা হয়েছে কি না, এ মুহূর্তে বলতে পারছি না।’

আকবরশাহ এলাকায় রেলওয়ের মালিকানাধীন পাহাড়গুলো হলো— ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল। এ ছাড়া জিয়া নগর, বিজয় নগর, কলাবাগান, বেলতলিঘোনা, শাপলা আবাসিকসহ বিভিন্ন পাহাড়ে বসতি রয়েছে।

২০২৩ সালে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে গেলে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের গাড়িতে ঢিল ছুড়েছিলেন জসিমের লোকজন। ওই মামলায় জসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জসিম পালিয়ে গেলে তার খামার থেকে লুট হয় শতাধিক গরু। দেড় দশকে যারা জসিমের রোষানলে ছিলেন, তারা এই লুটপাটে নেতৃত্ব দেন। এখানে বর্তমান দখলদারদের মধ্যে অন্যতম ইলিয়াছ খান। আওয়ামী লীগ আমলে তিনি এলাকাছাড়া ছিলেন।

এ ছাড়া ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইউনুছ ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ রাসেল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নাছির উদ্দিনদের নিয়ন্ত্রণে এসব পাহাড়ে বাণিজ্য চলছে এখন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইলিয়াছ খানের দাবি, ‘এলাকায় এসে তদন্ত করেন। আমি পাহাড় ব্যবসায় জড়িত কি না। আমি রড-সিমেন্টের ব্যবসা করি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে আমার নামে মিথ্যা রটনা চালানো হচ্ছে।’

এ ছাড়া ১ নম্বর ঝিলের বর্তমান সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ২ নম্বর ঝিলের সমিতির নেতা বিএনপি নেতা মোহাম্মদ বেলাল এবং ৩ নম্বর ঝিলের নিয়ন্ত্রণ মোহাম্মদ ইলিয়াছের হাতে।

জঙ্গল ছলিমপুর পুরোটা পাহাড়ি এলাকা। ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত পাহাড় কেটে এখানে বসতি গড়ে তোলা হয়েছে। অতীতে পাহাড় ধসে হতাহতের অনেক ঘটনাও ঘটেছে এ এলাকায়। ছিন্নমূল বাস্তুহারা সমিতি নামে একটি সংগঠন পাহাড়ের দখল, কাটা ও বেচাকেনা নিয়ন্ত্রণ করে। দুই বছর আগে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগের দুই নেতা সাদেকুর রহমান ও গোলাম গফুর। গফুর জঙ্গল ছলিমপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এই সমিতির দায়িত্ব এখন বিএনপি নেতাদের হাতে। বর্তমান সভাপতি ছায়েদুল হক। তিনি নগর শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক। সমিতির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন জঙ্গল ছলিমপুর বিএনপি সভাপতি। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আপসে এই পরিবর্তন হয়। এ ছাড়া এই সমিতির সঙ্গে যুক্ত আছেন নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান বাদশা।

সদ্য কারামুক্ত চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের নেতা মিজানুর রহমান ওরফে রাজু এ সমিতির নেতা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আরমান হোসেন ও মাসুদ নামের দুজনকে খুন করা হয়। মিজানুর রহমানকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর অভিযানে গিয়ে সেখানে দখলদারের হামলায় মৃত্যু হয় এক র‍্যাব সদস্যের। র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলায় ছায়েদুল হক ও বোরহান উদ্দিন কারাগারে রয়েছেন এখন।

বর্তমানে সেখানে ২৮ হাজার পরিবারের বসবাস রয়েছে বলে সমিতির নেতারা জানান। শাহজাহান বাদশা বলেছেন, এখানে গরিব ছিন্নমূল মানুষজন বসবাস করছে। এ নিয়ে আদালতে রিট আছে।

জঙ্গল ছলিমপুরের আরেকটি অংশ হচ্ছে আলীনগর বহুমুখী সমবায় সমিতির নিয়ন্ত্রণে। এখানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মদ ইয়াছিন। কিছুদিন আগে সেখানে গড়ে তোলা র‌্যাব ও পুলিশের ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়। এরপর ইয়াছিনসহ দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

লালখান বাজারের মতিঝরনা ও বাটালি পাহাড় এলাকায় পাহাড়ের দখল বাণিজ্য রয়েছে। এখানে একসময় আওয়ামী লীগের সময়কার ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ এফ কবির মানিক এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা পাহাড়ের দখল বাণিজ্যে সম্পৃক্ত ছিলেন। মতিঝরনা এলাকায় এখন এসবের নিয়ন্ত্রণ করেন বিএনপি নেতা আবু তাহের। তিনি ইউনিট বিএনপির সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। পাহাড় দখল করে গড়ে তোলা তার নিজের ভাড়াঘর রয়েছে অন্তত ২০টি। একেকটি ঘরের মাসিক ভাড়া ৫-৭ হাজার টাকা। এখন এই এলাকায় পাহাড়ে বসবাসের নিয়ন্ত্রণ তার হাতে। জানতে চাইলে আবু তাহের বলেছেন, ‘এখানে কোনো পাহাড়ই নেই। লোকজন সমতলে বসবাস করে।’

চট্টগ্রামপাহাড়ধসআওয়ামী লীগবিএনপি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগের নির্দেশ পেয়ে এমপি মিষ্টি স্পিকারের দপ্তরে

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মিষ্টি

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    মাদক নির্মূলের নামে সালিশ, কান ধরে উঠবস ও টাকা আদায়ের অভিযোগ

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    ৪৯তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ গোপালগঞ্জের ৯ সুপারিশপ্রাপ্ত

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাসে ওঠার পর নিখোঁজ বাউফলের ব্যবসায়ী, ১২ দিনেও সন্ধান নেই

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    বাউফলের সাবেক মেয়র জুয়েল ঢাকায় গ্রেপ্তার

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা