সাকিবের পর এবার নওফেলের বাড়িতে আগুন

সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রামে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিভিয়ে ফেলেছেন স্থানীয়রা। নওফেলের ভাই অভিযোগ করেছেন, তাদের বাড়ি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগরের পাঁচলাইশ থানার চশমাহিলে এ ঘটনা ঘটেছে।
চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে নওফেলও অংশ নেন।
একই অনুষ্ঠানে ছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও। সংবাদ সম্মেলনের পর তার মাগুরার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, একই ঘটনার জেরে নওফেলের বাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে সিএমপির উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ হাসান মোস্তফা স্বপন আগামীর সময়কে বললেন, ‘বিষয়টি এখনও সঠিক জানি না৷ আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম বললেন, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজে রাত ২টার দিকে ওই বাড়ির সামনে সাতজন তরুণ-যুবককে দেখা গেছে। তারা আগুন ধরানোর চেষ্টা করে। বাসার সামনে একটি পাইপলাইনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এলে তারা চলে যায়।’
নওফেলের ছোট ভাই বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আজ আবারও আমাদের বাড়ি লক্ষ্য করে একটি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে। দ্রুত এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সহিংসতা কখনোই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ভাষা হতে পারে না।’
চশমাহিলের বাড়িটি প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবন হিসেবেই এখনো চট্টগ্রামের মানুষের কাছে পরিচিত। এলাকার নামও ‘মেয়র গলি’। ওই বাড়িতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগপর্যন্ত মহিউদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা থাকতেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ওই বাড়িতে কয়েকদফা হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে বাড়িটি খালি পড়ে আছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও বাড়িটিতে কয়েকবার হামলা করা হয়।





