Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের আলোর দিশারি বীথি
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় কেমন করে এলো

চায়ের চুমুকে সভ্যতার স্বাদ

সামিয়া ইফফাত
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ২০:০১
চায়ের চুমুকে সভ্যতার স্বাদ

পৃথিবী যেমন সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, ঘড়িকাটা চলছে, কোথাও রাত কোথাও দুপুর। কোথাও কেবল শুরু দিনের। কারও রসুইঘরে কেটলিতে ফুটছে চায়ের পানি। কেউ হয়ত ফুটন্ত পানিতে চা পাতা দিয়ে অপলক তাকিয়ে সাজাচ্ছেন দিনের কর্মপরিকল্পনা। কারও দিনের শুরুটা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে। বহুকাল ধরে এই পানীয় মানুষের দৈনন্দিন সঙ্গী। কখনো প্রশ্ন জাগেনি মনে— কীভাবে এলো এই পানীয়? চায়ের জনপ্রিয়তার গল্পটা কেমন?

এক কাপ চায়ে চুমুক দিয়ে ফেরা যাক পাঁচ হাজার বছর আগে প্রাচীন চীনে। কিংবদন্তি অনুসারে, খ্রিষ্টপূর্ব-২৭৩৭ সাল। গাছের ছায়ায় বিশ্রামরত চীনা সম্রাট শেন নুং। খাবার পানি গরম করছে তার ভৃত্য। হঠাৎ মৃদু হাওয়ায় কিছু পাতা উড়ে পড়ল পানিতে। তাতেই বদলাতে শুরু হলো রঙ। ছড়াতে শুরু করল সুঘ্রাণ।

সেই পানি পান করে শরীরে এক অদ্ভুত শক্তি আর প্রশান্তি অনুভব করলেন সম্রাট। তিনি ছিলেন খুবই স্বাস্থ্য সচেতন। তার ছিল ভেষজ সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান। সেদিন অপ্রত্যাশিতভাবে তৈরি হওয়া মিশ্রণটি পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন শেন নুং। সেদিনের গাছটি ছিল ‘ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস’। সে গাছের পাতার দ্রবণ থেকেই আজকের চা।

এই গল্পের সত্যতা নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব নয়। তবে তৎকালীন চীনাদের কাছে উদ্ভিদটি ছিল মহামূল্যবান। এটি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হতো। চায়ের পাতা চোখের ক্লান্তি দূর করতে, পেটে ব্যথা, এমনকি ত্বকের ক্রিম হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। পশ্চিমের বহু শতাব্দী আগেই চা পানের প্রচলন ছিল চীনে। হান রাজবংশের আমলের সমাধিতেও পাওয়া গেছে চায়ের পাত্র। তবে তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ) শাসনামলে চীনের জাতীয় পানীয় হিসেবে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় চা।

চীনা সম্রাটের গল্পটা এমনই ছিল- সংগৃহীতচা তখন এতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, অষ্টম শতাব্দীর শেষের দিকে লু ইউ নামের একজন লেখক পূর্ণাঙ্গ বই লিখেছেন। যার নাম ‘চা চিং’ বা ‘টি ক্লাসিক’। এর কিছুকাল পরেই জাপানেও বাড়ে চায়ের জনপ্রিয়তা। মূলত চীনে পড়াশোনার জন্য যাওয়া জাপানি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মাধ্যমেই এই পরিচিতি। ধীরে ধীরে চা হয়ে উঠে জাপানি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাপানিদের চা অনুষ্ঠান বা ‘টি সেরেমনি’ এর প্রমাণ।

তবে শুরুর দিনগুলোতে চায়ের প্রস্তুত প্রণালি এখনকার মতো ছিল না। সেসময় চা পাতা পিষে সূক্ষ্ম সবুজ গুঁড়ো করা হতো। সেগুলো গরম পানিতে ঘুঁটে তৈরি হতো উজ্জ্বল সবুজ রঙের ফেনা। চা হয়ে ওঠে চীনাদের প্রাণকেন্দ্র, আতিথেয়তা ও প্রজ্ঞার প্রতীক। ধীরে ধীরে এই ছোট্ট পাতাটি তখন প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্বভ্রমণের জন্য।

ইউরোপে চায়ের বিস্তার

চায়ের ইতিহাসে বেশ পিছিয়ে ইউরোপ। ষোড়শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোপীয়দের মধ্যে পানীয় হিসেবে চায়ের কিছুটা উল্লেখ পাওয়া যায়। এর বেশিরভাগই ছিল প্রাচ্যে ব্যবসায়ী এবং মিশনারি হিসেবে বাস করা পর্তুগিজদের অবদান। যদিও প্রথম বাণিজ্যিক আমদানিকারক হিসেবে পর্তুগিজদের হাত ধরে চা আসেনি। এ কাজটি করেছিল ডাচরা। ষোড়শ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রাচ্যে পর্তুগিজ বাণিজ্য পথে হানা দিতে শুরু করে তারা।

শতাব্দীর শেষ নাগাদ জাভা দ্বীপে একটি বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপন করে ডাচরা। এই দ্বীপ হয়ে ১৬০৬ সালে চীন থেকে হল্যান্ডে পৌঁছায় চায়ের প্রথম চালান। ডাচদের মধ্যে দ্রুত ফ্যাশনেবল পানীয় হয়ে ওঠে চা। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম ইউরোপে। তখন চায়ের উচ্চমূল্যের কারণে এটি শুধু ধনীদের পানীয় ছিল। বিপজ্জনক সমুদ্রে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে চা আসত। ‘টি ক্যাডি’ নামের ছোট তালাবদ্ধ বাক্সে রাখা হতো চা। শুধু বাড়ির কর্ত্রীর কাছেই বাক্সের চাবি থাকত। তবে তখনো চা পানের সঠিক পদ্ধতি মানুষ জানত না।

তখন বিশ্বব্যাপী শুধু সাম্রাজ্য গড়তে শুরু করেছে ব্রিটিশরা। তখনই তারা চায়ের বাণিজ্যিক ফায়দা খুঁজে পেল। দ্রুত ধনীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে চা পৌঁছে দেওয়ার উপায় বের করল তারা। ব্রিটেনে চায়ের এতো জনপ্রিয়তার পেছনে একটা ছোট্ট গল্প রয়েছে। ১৬৬২ সালে পর্তুগালের রাজকুমারী ক্যাথরিন অব ব্রাগাঞ্জা ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লসকে বিয়ে করেন। চায়ের ভীষণ ভক্ত ছিলেন তিনি। বিয়ের উপহার হিসেবে বড় এক বাক্স চা নিয়েও এসেছিলেন। যেহেতু রানি চা পান করতেন তাই রাজদরবারের নারীরাও আবাদার করলেন। রানি যেহেতু করেন, নিশ্চয়ই এটি চমৎকার কিছু!

ডাচদের মাধ্যমে ইউরোপের বাজারে চায়ের বাণিজ্যিক প্রসার- সংগৃহীত

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চীন থেকে বিশাল পরিমাণে চা আনতে শুরু করল। বেশি চা আসতে শুরু করায় কমতে লাগল দাম। ধীরে ধীরে ব্যবসায়ী, আইনজীবী, শ্রমিক এবং দোকানদাররাও শুরু করলেন চা কেনা। তবে বিপত্তি বাঁধে চায়ের ওপর ব্রিটিশ সরকারের নির্ধারিত উচ্চ কর। কারণ বিলাসবহুল হওয়ায় বেড়ে যায় চোরাচালান। গোপন বেসমেন্টে লুকানো চা রাতের বেলা ছোট নৌকায় করে আনা হতো দেশে। একসময় ব্রিটেনে অবৈধ উপায়ে বেড়ে গেল চা বিক্রি। একটা সময় টনক নড়ে ব্রিটিশ সরকারের। কমানো হলো কর। তখন সবার সাধ্যের মধ্যে চলে আসে পানীয়টি।

সতেরোশ দশকের মধ্যে লন্ডনে দেখা যায় ‘টি গার্ডেন’। সুন্দর আউটডোর পার্ক। নারী-পুরুষরা একসঙ্গে হাঁটতেন, গান শুনতেন। সঙ্গে থাকত চা। যেন চমৎকার সামাজিক মেলবন্ধন। শুধু ভোগবিলাস নয়, শিল্প বিপ্লবের সময় ব্রিটিশদের সহায়ক ছিল চা।

চায়ের আগে অনেকের অভ্যাস ছিল হালকা বিয়ার। নিরাপদ খাবার পানির অভাবেই এই অভ্যাস ছিল। আর চায়ের জন্য লাগে পরম পানি। ফোটানো পানির জীবাণু মারা যেত। তাই কারখানা শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবান এবং চাঙ্গা রাখতে ভূমিকা রাখে চা। আর তা হয়ে ওঠে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের জ্বালানি।

কারখানা এবং অফিস চলত চায়ের ওপর। কিন্তু ব্রিটিশরা শুধু চা পানই করেনি, তারা একে ঘিরে বানিয়েছে একটি জগৎ। চা নিয়ে শুরু করে গবেষণা। তারা আবিষ্কার করতে থাকে চা বানানোর নানা পদ্ধতি। তৎকালীন ভারত ও শ্রীলঙ্কা আমদানি করা চা ছিল খুব কড়া এবং গাঢ়। দুধ মিশিয়ে তারা সেই চা করা হত মসৃণ। স্বাদে কিছুটা পরিবর্তন আনতে যোগ করা হয় চিনি।

ব্রিটিশরাই ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু করে। ১৮৫০ এর দশকে দার্জিলিং ও সিলেটের মালিনীছড়ায় (১৮৫৭) প্রথম চা-বাগান স্থাপন করে। এভাবেই এ অঞ্চলে চায়ের যুগের সূচনা।
সংগৃহীত

চায়ের শ্রেণিবিন্যাস

চায়ের শ্রেণিবিন্যাস মূলত উৎপত্তিস্থল বা অঞ্চলের ভিত্তিতে করা হয়। যেমন চীন, সিলন (শ্রীলঙ্কা), জাপানিজ, ইন্দোনেশিয়ান এবং আফ্রিকান চা। অথবা আরও ছোট জেলা বা অঞ্চলের ভিত্তিতেও ভাগ করা হয়। যেমন দার্জিলিং, আসাম এবং নীলগিরি। শ্রীলঙ্কার উভা ও ডিম্বুলা। চীনের আনহুই প্রদেশের চি-মেন অঞ্চলের কিমুন এবং জাপানের এনশু।

শত শত প্রকারের চা আছে চীনে। সতেজ, ঘাসের মতো ঘ্রাণযুক্ত গ্রিন টি। আছে ফুল বা ফলের ঘ্রাণযুক্ত। বছরের পর বছর সংরক্ষিত থাকা মাটির গভীর সুবাসযুক্ত আছে পু-এর। ভারতবর্ষে বিভিন্ন মশলার আধিক্য থাকায় চায়ের সঙ্গে লং, দারুচিনি, তেজপাতা, এলাচসহ বিভিন্ন মশলা যোগ করে তৈরি হতো চা। এ ছাড়া আধুনিক সময়ে লেমন টি, আইস টি, বাবল টি, ব্লাক টি, মাচা ও নানা প্রকার অর্গানিক চা খুবই প্রচলিত।

চায়ের দর্শন


চীনাদের কাছে দর্শনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত চা। বিশেষ করে তাওবাদ এবং বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে। এটি ‘উ-উই’ বা প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়ার ধারণার মতো। চীনে চা মানে সম্প্রীতি আর প্রকৃতি। প্রাকৃতিক জগতের একটি জানালা। যখন আপনি চা পান করেন, আপনার উচিত দুশ্চিন্তা ভুলে যাওয়া।

চা সম্মানেরও প্রতীক। তরুণরা যখন বড়দের সঙ্গে দেখা করে, তারা তাদের চা পরিবেশন করে। বিয়েতে বর-কনে তাদের বাবা-মাকে চা পরিবেশন করে। এটি তাদের সংস্কৃতিতে শ্রদ্ধা দেখানোর একটি উপায়।

ব্রিটেনে চা মানে ঘর আর স্থিতিশীলতা। মনের উষ্ণ কম্বল। নিজের সঙ্গে শান্তি খুঁজে পাওয়ার মাধ্যম। ধীর হওয়ার উপায়।

যুগে যুগে জনপ্রিয় পানীয় চা- সংগৃহীত

জাপানিদের কাছে ‘চাদো বা সাদো’ হলো চায়ের মাধ্যমে শান্তি, মানসিক প্রশান্তি এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির চর্চা। যা মূলত ‘ওয়াবি-সাবি’ (অপূর্ণতার সৌন্দর্য) এবং জেন বৌদ্ধ ধর্মের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।

শ্রীলঙ্কায় চায়ের দর্শন মূলত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, আতিথেয়তা এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। এখানে চা শুধু পানীয় নয়, বরং দুধ-চিনি মেশানো শক্তিশালী ‘সিলন টি’ তাদের সামাজিক বন্ধন ও উষ্ণ আতিথেয়তার প্রকাশ।

বিজ্ঞানীদের মতে চায়ের অনেক গুণাগুণ। চা পাতায় আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। চা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হার্ট এবং মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।

বাঙালি সমাজে চা মানে প্রশান্তি। রাজনীতি, গল্প-আড্ডা, আতিথেয়তা, সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনটি কুড়ির ছোট্ট পাতার ভিন্ন ভিন্ন গল্প। পাঁচ হাজার বছর পূর্বে সম্রাটের পানীয় থেকে গল্পের শুরু। রান্নাঘর, মোড়ের দোকান, অফিস-আদালত থেকে সর্বত্র চায়ের বিস্তৃতি। চায়ের প্রতিটি চুমুকে আপনিও হয়ে উঠছেন হাজার বছরের ইতিহাসের অংশ।

চাচা দিবসচায়ের ইতিহাস
    শেয়ার করুন:
    মহাকাশ অভিযানে চীনের ৩ নভোচারী

    মহাকাশ অভিযানে চীনের ৩ নভোচারী

    ২৫ মে ২০২৬, ০২:০১

    সুন্দরগঞ্জে ট্রাকচাপায় সাবেক যুগ্ম জজ নিহত

    সুন্দরগঞ্জে ট্রাকচাপায় সাবেক যুগ্ম জজ নিহত

    ২৫ মে ২০২৬, ০২:৪১

    সংবাদ উপস্থাপনায় বড় টিপ ও একপাশে ওড়নায় নিষেধাজ্ঞা

    সংবাদ উপস্থাপনায় বড় টিপ ও একপাশে ওড়নায় নিষেধাজ্ঞা

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:০৯

    অসহায়দের আলোর দিশারি বীথি

    অসহায়দের আলোর দিশারি বীথি

    ২৫ মে ২০২৬, ০৫:১১

    আবাসিক মাদ্রাসায় সিসিটিভি, পৃথক বেড ও কড়া নজরদারির সুপারিশ

    আবাসিক মাদ্রাসায় সিসিটিভি, পৃথক বেড ও কড়া নজরদারির সুপারিশ

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:৫৬

    হার দিয়ে শেষ সিটির গার্দিওলা অধ্যায়

    হার দিয়ে শেষ সিটির গার্দিওলা অধ্যায়

    ২৪ মে ২০২৬, ২৩:৪০

    কলার দোকান থেকে সবুজ ফণিমনসা উদ্ধার

    কলার দোকান থেকে সবুজ ফণিমনসা উদ্ধার

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:৩৬

    কমলাপুর রেলস্টেশনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় কে-নাইন

    কমলাপুর রেলস্টেশনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় কে-নাইন

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:৪৩

    জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

    জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

    ২৫ মে ২০২৬, ০২:৩৭

    খাঁচায় কেন টিয়া, গুনতে হলো জরিমানা

    খাঁচায় কেন টিয়া, গুনতে হলো জরিমানা

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:১৭

    পার্বতীপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ১, আহত মা-শিশু

    পার্বতীপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ১, আহত মা-শিশু

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:১৮

    ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

    ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

    ২৫ মে ২০২৬, ০৭:৪৪

    ঈদের দিন ৫ বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস

    ঈদের দিন ৫ বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:১৬

    মধ্যরাতে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, সাঁড়াশি অভিযান শুরু

    মধ্যরাতে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, সাঁড়াশি অভিযান শুরু

    ২৫ মে ২০২৬, ০৫:০০

    নিষিদ্ধ আ.লীগ সভাপতির ভবনে থানা, পুনর্বাসনের অভিযোগ স্থানীয়দের

    নিষিদ্ধ আ.লীগ সভাপতির ভবনে থানা, পুনর্বাসনের অভিযোগ স্থানীয়দের

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:৫০

    advertiseadvertise