Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জীববৈচিত্র্য

বিশ্ব গন্ডার দিবস

পাহাড় থেকে যেভাবে হারিয়ে গেল গণ্ডাররা

agamir somoy
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:০১
পাহাড় থেকে যেভাবে হারিয়ে গেল গণ্ডাররা

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে একসময় গন্ডারের অবাধ বিচরণ ছিল। ছবি: এআই ব্যবহার করে বানানো

পার্বত্য চট্টগ্রামে গেলে বাঘ-চিতা বাঘসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর খোঁজ নেই। হতাশার সঙ্গে সঙ্গে মাঝেমধ্যে আশার আলোও থাকে। এমনকি কালেভদ্রে গহিন পাহাড়ে সাম্প্রতিক বাঘ বিচরণের কোনো ঘটনাও শোনা যায় স্থানীয়দের মুখে। গণ্ডারের বেলায় সেই গুঞ্জনও নেই। এমনকি গত কয়েক দশকের মধ্যেও গণ্ডার দেখার কোনো ঘটনা কেউ যখন মনে করতে পারেন না তখন একটা চাপা কষ্ট অনুভব করি। অথচ বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে একসময় গণ্ডারের অবাধ বিচরণ ছিল, যার সত্যতা মিলছে ঐতিহাসিক নথিপত্র এবং বন্যপ্রাণী গবেষকদের লেখায়।
ড. রেজা খানের ‘বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী’ এবং গাজী আসমতের ‘বাংলাদেশের বিলুপ্ত বন্যপ্রাণী’সহ বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বইয়ের সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে অতীতে প্রধানত তিনটি প্রজাতির গণ্ডারের অস্তিত্ব ছিল, যার মধ্যে রয়েছে বড় একশৃঙ্গী গণ্ডার বা ভারতীয় গণ্ডার, ছোট একশৃঙ্গী গণ্ডার বা জাভাদেশীয় গণ্ডার এবং এশীয় দ্বিশৃঙ্গী গণ্ডার বা সুমাত্রান গণ্ডার। এর মধ্যে সুন্দরবন ও সমতল জলাভূমি অঞ্চলে একশৃঙ্গী ও জাভান গণ্ডারের উপস্থিতি থাকলেও, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি বনাঞ্চলে প্রধানত এশীয় দ্বিশৃঙ্গী বা সুমাত্রান গণ্ডারের বিচরণ ছিল। ফেনী নদীর উত্তরে সুমাত্রান গণ্ডার পাওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই, অর্থাৎ এদের বিস্তৃতি মূলত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি সীমান্ত জুড়েই সীমাবদ্ধ ছিল।

বাচ্চাসহ সুমাত্রান গন্ডার

বাংলাদেশের ইতিহাসে গণ্ডারসংক্রান্ত সবচেয়ে প্রামাণ্য ও উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো নথিভুক্ত হয়েছে ব্রিটিশ আমল থেকে, যার মধ্যে দুটি গণ্ডার আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ১৮৬৮ সালের ঘটনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগের কোনো এক চোরাবালিতে একটি সুমাত্রান গণ্ডার আটকে পড়ার খবর পাওয়া যায় এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ক্যাপ্টেন হুড ও এইচ ডব্লিউ উইকস নামক দুই ব্রিটিশ কর্মকর্তা আটটি হাতি নিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে রওনা হন। প্রায় ষোলো ঘণ্টা পথ পাড়ি দিয়ে তারা গণ্ডারটির সন্ধান পান এবং হাতি ও স্থানীয় মানুষের সহায়তায় সেটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে আসেন, যা পরে ১৮৭২ সালে ১২৫০ পাউন্ডের বিনিময়ে জুলজিক্যাল সোসাইটির কাছে বিক্রি করা হয়। বেগম নাম পাওয়া গণ্ডারটি লন্ডনের চিড়িয়াখানায় স্থানান্তরিত হয় এবং দীর্ঘ ২৮ বছর বেঁচে থাকার পর ১৯০০ সালে মারা যায়, এবং এই সুমাত্রান গণ্ডারের বৈজ্ঞানিক উপপ্রজাতির নাম রাখা হয়েছিল নর্দার্ন সুমাত্রান রাইনোসেরোস বা চিটাগং রাইনোসেরোস। গাজী এস এম আসমতের মতে, এই গণ্ডারটি টেকনাফ ও চুনতি অভয়ারণ্যের মাঝামাঝি বা সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী অঞ্চল থেকে ধরা হয়েছিল।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত গন্ডার বেগম

আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে ১৮৮১ সালে চট্টগ্রামের রামুর জঙ্গলে দড়ির ফাঁদে ধরা পড়া আরেকটি স্ত্রী সুমাত্রান গণ্ডারকে কেন্দ্র করে, যা রামুর জমিদার বেগম লতিফা খাতুনের জমিতে শিকার করতে গিয়ে স্থানীয় চাষিদের সহায়তায় আটক করা হয়। জমিদার বেগম লতিফা খাতুন এর নাম দেন মুন্নী বেগম এবং পরে এটিকে কলকাতা চিড়িয়াখানায় দান করা হয়, যেখানে ১৮৮৯ সালে মুন্নী বেগম একটি বাচ্চার জন্ম দেয় যা ছিল চিড়িয়াখানায় সুমাত্রান গণ্ডারের অন্যতম প্রথম সফল প্রজননের ঐতিহাসিক উদাহরণ। এর বাইরেও ১৮৮৬ সালের স্মৃতিকথায় ফ্রান্সিস ব্রুস সিমসন উল্লেখ করেন যে ১৮৫৫ সালে ঢাকায় কর্মরত থাকাকালে তিনি চট্টগ্রামের তৎকালীন কমিশনারের সঙ্গে বন্য শূকর শিকারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে গণ্ডার শিকারের ঘটনা ঘটেছিল। তা ছাড়া ১৮৭২ সালে চট্টগ্রাম পার্বত্যাঞ্চলের ডেপুটি কমিশনার ও রাজনৈতিক প্রতিনিধি টমাস হার্বার্ট লেউইন তার বাসা থেকে আরাকান সীমান্তের দিকে যাওয়ার পথে পাহাড়ি পথে একটি বড় গণ্ডারের আকস্মিক মুখোমুখি হন, যা তিনি ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত তার স্মৃতিচারণায় লিপিবদ্ধ করেন। এ ছাড়া ১৮৯১ সালের জুন মাসে প্রকাশিত এক খবরের কাগজ অনুযায়ী চা-উদ্যোক্তা ফ্রেডেরিক উইলিয়াম হিগিন্স চট্টগ্রামের কোনো এক স্টেশনের নিকটবর্তী রোপলি নামক স্থানে হেঁটে যাওয়ার সময় কুকুরের সহায়তায় একটি বিশাল গণ্ডার শিকার করেন।

মিয়ানমারের তামানথি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

বিশ শতকের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বন্যপ্রাণী পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় আর এইচ স্নেইড হাচিনসনের ১৯০৬ সালে প্রকাশিত এন অ্যাকাউন্ট অব দ্য চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস বই থেকে। হাচিনসন উল্লেখ করেন যে ত্রিপুরা, চিন প্রদেশ, আরাকান, লুসাই পাহাড় ও পার্বত্য চট্টগ্রামের গভীর অরণ্য মিলে একসময় বন্যপ্রাণীর স্বর্গ ছিল এবং তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ করে থেগা, মাইনি এবং তুইচং নদীর উপত্যকায় দুই শিংওয়ালা গণ্ডার বা সুমাত্রান গণ্ডার নিয়মিত দেখা যেত। স্থানীয় কুকি জনগোষ্ঠী গণ্ডার শিকারে ভয় পেলেও গোর্খা ব্যাটালিয়ন বা অন্যান্য শিকারিরা গণ্ডার শিকার করত।
ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন অ্যালায়েন্সের ২০১৬ সালের গবেষণায় ৯০ বছর বয়সী এক স্থানীয় ব্যক্তি জানালেন, তিনি তার ৭০ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৪৫-৪৬ সালের দিকে সাঙ্গু-মাতামুহুরী রিজার্ভে একটি গণ্ডারের মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং কাসালং নদীর তীর ও সংরক্ষিত বনাঞ্চলেও বিশ শতকের শুরুর দিকে গণ্ডার থাকার প্রমাণ মেলে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের সহপ্রতিষ্ঠাতা গাই মাউন্টফোর্ট তার দ্য ভ্যানিশিং জাঙ্গল বইতে ১৯৬৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার সীমান্ত অঞ্চলে একটি গণ্ডার শিকারের তথ্য প্রকাশ করেন। মিয়ানমার থেকে সীমান্ত পেরিয়ে আসা এই গণ্ডারটি গুলি করে মারা হয় এবং এর দেহাংশ বিক্রি করে ১৫ হাজার রুপি পাওয়া গিয়েছিল যা বাংলাদেশে গণ্ডার দেখার বা শিকারের শেষ নিশ্চিত ঐতিহাসিক রেকর্ড। ১৯৬৫ সালের সরকারি জরিপে অবশ্য পার্বত্য চট্টগ্রামে গণ্ডারের আর কোনো জীবিত অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।

গহিন অরণ্যে সুমাত্রান গন্ডার

তবে ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে কর্ণফুলী পেপার মিলের বাঁশ কাটুরে বা কাট্টন্যা দলের সদস্য সিং চাকমার কাচালংয়ের গভীর বনে উঁচু চূড়া থেকে শিংযুক্ত এক আজব জন্তু পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নামতে দেখার বিবরণ দিয়েছিলেন। গবেষক সুপ্রিয় চাকমার সূত্রে এ তথ্যটি পাই। ২০০৯ সালে সাজেকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা এলাকায় কিছু মানুষ একটি বিশাল শিংওয়ালা প্রাণী দেখতে পায় এবং ধাওয়া করার কথা বলেন, যেটা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মিজোরামের ডামপা টাইগার রিজার্ভে প্রবেশ করে বলে দাবি করা হয় এবং গবেষক সুপ্রিয় চাকমার মতে এটি নিছক গুজব না হলেও প্রমাণসাপেক্ষ।

প্রকৃতিবিদ আনোয়ারুদ্দীন চৌধুরী তার গবেষণায় উল্লেখ করেন যে উনিশ শতকে আসাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, ত্রিপুরা, মিজোরাম, উত্তরবঙ্গ, ভুটান এবং বাংলাদেশের কুমিল্লা ও পার্বত্য চট্টগ্রামে সুমাত্রান গণ্ডার নিয়মিত পাওয়া যেত। পরে ১৯৯৬ সালে তিনি মণিপুর ও নাগাল্যান্ডে সরেজমিন অনুসন্ধান চালিয়ে জানান যে সেখানে গণ্ডারের অস্তিত্ব আর নেই, তবে মিয়ানমারের চিন্দউইন নদীর ওপারে তামানথি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারির দুর্গম অরণ্যে সুমাত্রান গণ্ডারের বিচ্ছিন্ন দু-একটি নমুনা টিকে থাকার সামান্য সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন।



বর্তমানে এশিয়ার তিনটি গণ্ডার প্রজাতিই চরম বিপদের মুখে রয়েছে। ভারত ও নেপালের জলাভূমি ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলে বিশেষ করে আসামের কাজিরাঙা ও নেপালের চিতওয়ান জাতীয় উদ্যানে বসবাসকারী ভারতীয় গণ্ডারের সংখ্যা সংরক্ষণ প্রচেষ্টার ফলে বর্তমানে প্রায় চার হাজারে উন্নীত হয়েছে এবং আইইউসিএনের লাল তালিকা অনুযায়ী এরা কম বিপদে থাকা প্রজাতি। পৃথিবীর সবচেয়ে লাজুক ও রহস্যময় জাভান গণ্ডারের বর্তমান সংখ্যা মাত্র ৬০-৭০টির মধ্যে, যা ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের উজুং কুলোন জাতীয় উদ্যানে সীমাবদ্ধ এবং এরা চরমভাবে বিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত। এশিয়ার একমাত্র দুই শৃঙ্গওয়ালা সুমাত্রান গণ্ডার প্রজাতিটি বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপের বিচ্ছিন্ন জঙ্গলে মাত্র ৩৪-৪৭টিতে এসে ঠেকেছে এবং এদের প্রজনন ও টিকে থাকাও চরম হুমকির মুখে যা সংকটাপন্ন ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।

বাংলাদেশ তথা চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি অঞ্চলে একসময় সুমাত্রান গণ্ডারসহ বন্যপ্রাণীর যে অবাধ বিচরণ ছিল, তা আজ পুরোপুরি অতীত। ১৮৬৮ সালের বেগম কিংবা ১৮৮১ সালের মুন্নী বেগমের মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনাগুলো ইতিহাসবিদ এবং গবেষকদের কাছে গুরুত্ব পেলেও আজ বাস্তবতায় এই প্রাণীগুলো এই এলাকা থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত। বিগত শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে শুরু করে ১৯৬৭ সালের শেষ রেকর্ড পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সাক্ষ্য দেয় যে একসময়ের সমৃদ্ধ পাহাড়ি জীববৈচিত্র্য আজ শুধু টিকে রয়েছে পুরনো নথি, গবেষকের খাতা ও লোককথার স্মৃতি হিসেবে।

গন্ডারপাহাড়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাড়তে পারে বাসভাড়া

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আমার মেয়ের পরিণতির জন্য ওবায়দুর দায়ী : মরিয়মের বাবা

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আজমুল হত্যা: মেস ম্যানেজার মেহেদীকে খুঁজছে পুলিশ

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    আবারও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন তানজিম ওয়াহাব

    ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’, পোস্ট দিয়ে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

    ‘ধানের শীষে ভোট চাইছি, মাফ চাই’, পোস্ট দিয়ে বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা

    ১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল

    ১৩ হাজার গাছ লাগিয়েছেন রিকশাচালক রেজাউল

    এক মিনিটে চার ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    এক মিনিটে চার ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

    চীনা কৌশলে জেগে উঠুক বাংলার গ্রাম

    কেন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ,  ব্যর্থ হলো সি-পপ

    কেন বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় কে-পপ, ব্যর্থ হলো সি-পপ

    ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ

    ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ

    বামপন্থী আলিফ হচ্ছেন বার্লিনের প্রথম মুসলিম মেয়র

    বামপন্থী আলিফ হচ্ছেন বার্লিনের প্রথম মুসলিম মেয়র

    মাউশির ৩ সাবেক ডিজিকে বেতন দিতে হচ্ছে বসিয়ে বসিয়ে

    মাউশির ৩ সাবেক ডিজিকে বেতন দিতে হচ্ছে বসিয়ে বসিয়ে

    বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ল কয়েক দফা, প্রতিবেশীদের কী চিত্র

    বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ল কয়েক দফা, প্রতিবেশীদের কী চিত্র

    পটিয়ায় পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে কক্সবাজার এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, বন্ধ ট্রেন

    পটিয়ায় পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে কক্সবাজার এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, বন্ধ ট্রেন