দোভাল-ওয়াং ই বৈঠক: সীমান্ত বিরোধ মেটাতে আলোচনা চালিয়ে যাবে চীন-ভারত

সংগৃহীত ছবি
সীমান্ত বিরোধের একটি ‘ন্যায্য, যৌক্তিক ও পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান’ খুঁজে বের করতে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে চীন ও ভারত। মঙ্গলবার বেইজিংয়ে দুই দেশের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিশ্বের দুই জনবহুল দেশ চীন ও ভারত—দুটিই পারমাণবিক শক্তিধর। হিমালয় অঞ্চলে দেশ দুটির মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ, বেশির ভাগই অচিহ্নিত ও বিরোধপূর্ণ সীমান্ত রয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সীমান্তবিষয়ক বিভিন্ন দিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ‘বিস্তৃত, গভীর, বন্ধুত্বপূর্ণ ও খোলামেলা’ আলোচনা করেছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ওয়াং ই বলেছেন, চীন-ভারত সম্পর্ক এখন আর শুধু দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয় নয়; এর বৈশ্বিক ও কৌশলগত গুরুত্বও রয়েছে। দুই প্রতিবেশী দেশের যোগাযোগ আরও জোরদার করা এবং মতপার্থক্য কমানো উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
চীনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করেছে। সীমান্ত এলাকায় সহযোগিতা আরও বাড়ানো এবং স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছর পর প্রথমবার চীন সফর করেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত নিয়ে নতুন করে বিরোধ দেখা দেওয়ায় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও হয়েছে।
মঙ্গলবারের বৈঠকে দোভালকে ওয়াং ই বলেছেন, ‘দুই পক্ষেরই উচিত অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত ইস্যুটিকে যথাযথ অবস্থানে রাখা এবং স্থবিরতা, পশ্চাদপসরণ বা বিচ্যুতি ছাড়াই সামনে এগিয়ে যাওয়া।’
চীনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সীমান্ত নিয়ে পরবর্তী দফার আলোচনা ২০২৭ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে।







