পারমাণবিক গবেষণায় রাশিয়া-ভিয়েতনাম সমঝোতা

সংগৃহীত ছবি
রাশিয়ার মাল্টিপারপাস ফাস্ট নিউট্রন গবেষণা রিয়াক্টর এমবিআইআরকে ঘিরে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রের (আইআরসি) মাধ্যমে পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে মস্কো ও হ্যানয়।
এ লক্ষ্যে আইআরসি-এমবিআইআর কনসোর্টিয়ামের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভিয়েতনাম অ্যাটমিক এনার্জি ইনস্টিটিউটের (ভিনাটম) মধ্যে সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। স্মারকে যৌথ বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিকল্পনা এবং ভিনাটমের কনসোর্টিয়ামে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি রাখা হয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব পারমানবিক শক্তি সংস্থা রসাটম আজ শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
চুক্তির আওতায় রাশিয়ায় নির্মাণাধীন এমবিআইআর রিয়াক্টরের সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীরা। চালু হলে এ ধরনের রিয়াক্টরের মধ্যে এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ নিউট্রন-ফ্লাক্স গবেষণা সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রস্তাবিত সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র বিকিরণের মধ্যে বিভিন্ন উপকরণ ও সরঞ্জামের পরীক্ষা, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা মূল্যায়নে ব্যবহৃত কম্পিউটার মডেলের উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ধরনের পারমাণবিক জ্বালানি ও কুল্যান্টের আচরণ নিয়ে গবেষণা।
এ ছাড়া গবেষণার আওতায় তেজস্ক্রিয় বর্জ্য কমানোর উপায়ও খতিয়ে দেখা হবে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় উপাদানকে কম বিপজ্জনক পদার্থে রূপান্তরের সুযোগও থাকবে। এমবিআইআরের উচ্চ নিউট্রন-ফ্লাক্স ও উন্নত গবেষণা সুবিধা পেলে ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীরা উন্নত পারমাণবিক রিয়াক্টরের নানা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা চালাতে পারবেন।
রাশিয়ার সহায়তায় বাংলাদেশও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। ফলে পারমাণবিক নিরাপত্তা, জ্বালানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে এ ধরনের আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এ অঞ্চলের উদীয়মান পারমাণবিক দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।



