ইরান যুদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্রে মার্চে মূল্যস্ফীতি দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

ফ্লোরিডার মায়ামিতে একটি গ্যাস স্টেশনে তার গাড়িতে জ্বালানি ভরছেন এক ব্যক্তি
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় অস্থির বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি। সেই আঁচ লেগেছে যুক্তরাষ্ট্রেও। মার্চে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৩.৩ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারি থেকে ০.৯ শতাংশ বেশি।
এর আগে ২০২৪ সলের এপ্রিলে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৩.৪ শতাংশ। এরপর থেকে প্রায় প্রতি মাসেই মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ শতাংশের নিচে।
ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে কীভাবে প্রভাব রাখছে এতে স্পষ্ট বোঝা যায়।
ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) অনুযায়ী, মার্চে ১০.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে জ্বালানির দাম। এ সময়ে গ্যাসোলিনের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ২১.২ শতাংশ। মার্চ মাসে বিমান ভাড়া ২.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ১৪.৯% বেশি।
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী বেড়েছে জ্বালানির দাম। গত মাসে তেলের দাম নিয়মিতভাবে ব্যারেল প্রতি ছিল ১০০ ডলারের ওপরে। যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের গড় দামও গ্যালন প্রতি ৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা এক বছর আগের তুলনায় প্রায় ১ ডলার বেশি।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কোর ইনফ্লেশন’ বা খাদ্য ও জ্বালানি বাদে মূল্যস্ফীতি তুলনামূলকভাবে কম বেড়েছে। এই মূল্যস্ফীতির হার ছিল ২ দশমিক ৬।
শুক্রবার সকালে প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে জানান, ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট স্বল্পমেয়াদী বিঘ্ন সম্পর্কে ‘সর্বদাই স্পষ্ট ছিলেন’ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘তিনি এই চাপ কমাতে কাজ করেছেন সযত্নে।’
তিনি স্বীকার করেছেন, কিছুটা অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে গ্যাস ও জ্বালানির দামে।
তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে কুশের দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির কারণে দাম কমছে বা স্থিতিশীল রয়েছে ডিম, গরুর মাংস ও ওষুধের। পাশাপাশি দুগ্ধজাত পণ্য এবং অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রীর দামও রয়েছে নিয়ন্ত্রণে।
সূত্র: গার্ডিয়ান ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট

