Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

জাতিসংঘের প্রতিবেদন

খাদ্য সংকটে থাকা শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১:১০
খাদ্য সংকটে থাকা শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ

সংগৃহীত ছবি

বৈশ্বিক খাদ্য সংকট এখন আর সাময়িক নয়—বরং এটি পরিণত হয়েছে একটি স্থায়ী ও ক্রমবর্ধমান সংকটে। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে এমনটাই। এতে উদ্বেগজনক তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের অবস্থানও।

আজ শুক্রবার প্রকাশিত ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিসেস ২০২৬’-এ বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ৪৭টি দেশের ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগেছে। এটি বিশ্লেষণ করা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এবং ২০১৬ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন—এই ১০টি দেশেই বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ তীব্র খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের বসবাস। অর্থাৎ বাংলাদেশ এই সংকটের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের অন্যতম অংশ।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মহাপরিচালক কু দংইউ বলছেন, ‘বর্তমানে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা শুধু বিস্তৃতই নয়—এটি হয়ে উঠেছে স্থায়ী ও পুনরাবৃত্তিমূলক।’

তিনি সতর্ক করেন, এই সংকট এখন নিয়েছে কাঠামোগত রূপ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, সংঘাতই এখনো প্রধান কারণ। সংঘাতের কারণে মারাত্মক খাদ্য সংকটে পড়েছে অর্ধেকেরও বেশি মানুষ। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং বাস্তুচ্যুতি আরও জটিল করে তুলছে পরিস্থিতিকে।

২০২৫ সালে ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষ জরুরি পর্যায়ের খাদ্য সংকটে ছিল, আর চরম পর্যায়ের দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০১৬ সালের তুলনায় বেড়েছে ৯ গুণ।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছে শিশুরা। গত বছর ৩ কোটি ৫৫ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগেছে, যার মধ্যে প্রায় ১ কোটি শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত, যা তৈরি করে প্রাণঘাতী ঝুঁকি।

এদিকে, বাস্তুচ্যুতি পরিস্থিতিও সংকটকে আরও গভীর করছে। খাদ্য সংকটে থাকা দেশগুলোতে গত বছর ৮ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তুলনায় বেশি ক্ষুধার মুখে পড়ছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রতিবেদনের ভূমিকায় বলেছেন, ‘এটি একটি সতর্কবার্তা। জরুরি সহায়তায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সংঘাত বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জোরদার করা এখন অত্যন্ত জরুরি।’

তবে প্রতিবেদন অনুসারে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই সংকট মোকাবিলায় কমে গেছে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন। খাদ্য ও পুষ্টি খাতে সহায়তা প্রায় এক দশক আগের স্তরে নেমে এসেছে, ফলে কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়ে পড়ছে কঠিন।

প্রতিবেদন সতর্ক করেছে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালেও পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা কম। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটসহ বৈশ্বিক বাজার অস্থিরতা খাদ্যের দাম বাড়িয়ে সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্টি করতে পারে আরও চাপ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে খাদ্য সংকট হয়ে উঠতে পারে আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।

খাদ্য সংকটজাতিসংঘের প্রতিবেদন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise