Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

রংপুর অঞ্চলে শ্রমজীবীদের দুর্গতি

‘বউ-ছাওয়া নিয়া কষ্টে আছি, খালি এক গ্লাস পানি খ্যায়া আসচু’

  • শাপলা বিক্রি করে পেটে ভাত
রংপুর অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০১
‘বউ-ছাওয়া নিয়া কষ্টে আছি, খালি এক গ্লাস পানি খ্যায়া আসচু’

কৃষি শ্রমিকরা বছরের এই সময়টাতে প্রত্যেকদিন কাজের সন্ধানে ছুটে চলেন নানা দিকে। ছবি: আগামীর সময়

রংপুর নগরীর বাহাদুরসিংহ এলাকার ৭০ বছর বয়সের আব্দুর রহমান। কাজের অভাবে এখন তার স্ত্রী-সন্তানসহ খেয়েপরে বাঁচাই দায়। জীবন বাঁচাতে খালবিল থেকে শাপলা তুলে বিক্রি করেন তিনি, যা শহরের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ফুল হিসেবে কেনেন। কেউ কেনেন সবজি হিসেবে খাওয়ার জন্য।

আগের দিন দুপুর থেকে শাপলা তুলে বিক্রি করেন পরদিন। দু’দিনে আয় হয় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। খেয়ে না খেয়ে চলছে সংসার। শুধু আবদুর রহমানই নন, এই সময়টাতে এলাকায় কাজ না থাকায় রংপুর অঞ্চলের শ্রমজীবীদের দুর্গতি চরমে। তার ওপর জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ বিড়ম্বনায় বেড়েছে দুর্ভোগ।

আলুসহ শেষ হয়েছে রবি ফসল উত্তোলন। মাঠের বোরো ধানের কাটামাড়াই শুরু না হওয়া পর্যন্ত কৃষিকাজ না থাকায় রংপুর অঞ্চলের কৃষি শ্রমিকরা এখন বেকার। মৌসুমি এই বেকারত্বের কারণেই সংসারে টানাপড়েন।

রংপুরে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। বিশেষ করে তিস্তার চরাঞ্চলসহ গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও তারাগঞ্জ এলাকার কৃষি শ্রমিকরা বছরের এই সময়টাতে প্রতিদিন কাজের সন্ধানে ছুটে চলেন নানা দিকে। সকালবেলায় দল বেধে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। কাজের আশায় ছুটে যান শহরে। প্রত্যেকের সাইকেলের পেছনে বাঁধা থাকে ডালি, কাস্তে, কোদাল, দা, খন্তাসহ কাজের বিভিন্ন সরঞ্জাম।

শ্রমিকের হাট নামে পরিচিত রংপুর শহরের শিমুলবাগ, জামতলা মোড়, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, বেতপট্টি কিংবা রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষা করেন তারা। কাজ মিললে ভালো, না মিললে বাড়ি ফেরেন খালি হাতে।

শিমুলবাগে কাজের আশায় অপেক্ষায় ছিলেন কয়েকজন শ্রমজীবী মানুষ। চোখে-মুখে হতাশার ছাপ। গঙ্গাচড়ার শংকরদহ চরের আলীমুদ্দিনের ভাষ্য, ‘পত্যেকদিন বিয়ানে (সকালে) আল্লার নামে বাড়ি থাকি বেড়াই, যদি কাম জোটে। ছাওয়াগুলার (সন্তানদের) মুখোত খাওন দেওয়া নাগবেতো! কিন্তুক একদিন কাম (কাজ) জোটে তো তিনদিন খালি হাতে নিরাশ হয়্যা ফিরি যাওয়া নাগে।’

শাপলা বিক্রি করে কোনোমতে সংসার চলে কারো। ছবি: আগামীর সময়

সাইকেল চালিয়ে শ্রমিকের হাটে আসেন ছালাপাক চরের আব্দুস সবুর (৬৫)। ক্ষুধায় ঘামছিল শীর্ণকায় শরীর। গায়ে ছেঁড়া গেঞ্জি ও পরনে লুঙ্গি। ‘কাইল থাকি বউ-ছাওয়া নিয়া কষ্টে আছি। সকালে খালি এক গ্লাস পানি খ্যায়া আসচু। কাম জোটলে খরচ করি বাড়িত যাইম, না জোটলে আইজও না খ্যায়া থাকা নাগবে।’

বেলা বাড়ায় ধীরে ধীরে অন্তত ২০ জন মানুষ কাজের সন্ধানে জড়ো হন শিমুলবাগ এলাকায়। তারা জানান, কাজ জুটলে ৫০০ টাকা হাজিরা পাওয়া যায়। বাসাবাড়িতে মাটি কাটা, বালু ফেলা কিংবা ঘরের খুঁটি লাগানোর কাজ করেন। কখনো দল বেধে চুক্তিতে, আবার কখনো বা একাই সারাদিনের জন্য শ্রম বিক্রি করেন। তবে বর্তমানে দিন খারাপ যাচ্ছে, সপ্তাহে তিন দিনের বেশি কাজও মিলছে না। এলাকায় কাজের সুযোগ না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে বলেও জানান তারা।

উন্নয়ন গবেষকদের মতে, প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়ায় খাদ্য সংকটে পড়তে হয় নিম্ন আয়ের মানুষের। বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করেছে কর্মসংস্থানের অভাব।

রংপুরের উন্নয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তুহিন ওয়াদুদ। তার মতে, কর্মহীন মানুষের মূল স্রোতধারায় আনতে না পারলে দারিদ্র্য কমবে না। তাই কৃষিনির্ভর এই এলাকায় কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা স্থাপন করে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিকল্প নেই।

রংপুরশ্রমজীবীদুর্ভোগদরিদ্র
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মক্কার দিকে ধেয়ে আসা ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির

    মক্কার দিকে ধেয়ে আসা ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির

    আগুনের পর কী ঘটেছিল ময়মনসিংহ মেডিকেলে

    আগুনের পর কী ঘটেছিল ময়মনসিংহ মেডিকেলে

    প্রশ্নের মধ্যেই অনুমোদন পেল মেট্রোরেলে ৩ প্রকল্প

    প্রশ্নের মধ্যেই অনুমোদন পেল মেট্রোরেলে ৩ প্রকল্প

    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    সৌদিতে হুতিদের হামলা, পাকিস্তান কোথায়

    সৌদিতে হুতিদের হামলা, পাকিস্তান কোথায়

    চাঁনখারপুলের মেস থেকে জগন্নাথ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    চাঁনখারপুলের মেস থেকে জগন্নাথ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ‘হেসে কথা বলল, পরদিন শুনি আইসিইউতে’

    ‘হেসে কথা বলল, পরদিন শুনি আইসিইউতে’

    নতুন দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের দাবি উল্টে দিল ডিবি

    নতুন দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের দাবি উল্টে দিল ডিবি

    প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে

    প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে

    লস অ্যাঞ্জেলেসে দুই ভবনের মাঝে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

    লস অ্যাঞ্জেলেসে দুই ভবনের মাঝে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

    গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতার সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমপি

    গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতার সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমপি

    ৩৬ বছর ধরে মাটিতে স্বপ্ন আঁকছেন কিশোর

    ৩৬ বছর ধরে মাটিতে স্বপ্ন আঁকছেন কিশোর

    এবার সৌদিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

    এবার সৌদিতে মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

    জিপিএ ৫ পেয়েও কলেজে মনোনয়ন পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    জিপিএ ৫ পেয়েও কলেজে মনোনয়ন পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    ৮০০ কোটি টাকার তেল আনার খরচই ২১৭ কোটি

    ৮০০ কোটি টাকার তেল আনার খরচই ২১৭ কোটি