হোয়াইট হাউসের কাছে আবার গুলি, ভেতরেই ছিলেন ট্রাম্প
- ট্রাম্প বাসভবনে থাকলেও সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন
- নিরাপত্তাবাহিনীর পাল্টা গুলিতে হামলাকারী নিহত
- গুলিবিদ্ধ আরও এক পথচারী

নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে এক ব্যক্তি গুলি ছুড়লে তাদের পাল্টা গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হন। ছবি : রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে এক ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে এক ব্যক্তি গুলি ছুড়লে তাদের পাল্টা গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হন।
দেশটির সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ওই বন্দুকধারী অস্ত্রসহ তাদের দিকে এগিয়ে আসছিলেন। হোয়াইট হাউসের কাছে একটি চেকপয়েন্টে থাকা কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে তিনি আকস্মিক গুলি ছুড়তে শুরু করেন।
এ সময় সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে হামলাকারী গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।
সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র এ বিষয়ে বলেছেন, ‘গোলাগুলির সময় এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছোড়া প্রাথমিক গুলিতে নাকি পরে উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টা গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।’
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, গোলাগুলির সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বাসভবনেই ছিলেন। তবে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ আছেন এবং কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হননি।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, তাদের এক সাংবাদিক ঘটনাস্থল থেকে কয়েক ডজন গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছেন। গোলাগুলি শুরু হওয়ার পরপরই সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা সাংবাদিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেন এবং সংবাদকর্মীদের প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য লকডাউনে রাখা হয়।
সিএনএন আরও জানায়, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি উইলস, বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক কিছুক্ষণ পরই এই গুলির ঘটনা ঘটে।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় এর আগে গুলির ঘটনা ঘটে। এক মাস পার না হতেই নতুন করে এ ঘটনা ঘটল।
আগের ওই ঘটনার সময়ও গুলি চললে সাংবাদিক ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাথা নিচু করে আত্মরক্ষা করেছিলেন। আগের ওই গোলাগুলির ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন ছিলেন কোল টমাস অ্যালেন।
সূত্র : সিএনএন







