Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের উদ্ভট যত কথা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৫
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের উদ্ভট যত কথা

ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সপ্তাহেই মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি দেশের সঙ্গে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন। ঘোষণা দিয়েছেন হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করার।

এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না দাবি করে তার প্রশাসনের বক্তব্যেরই বিরোধিতা করেছেন।

সপ্তাহের শুরুতেই এমন কথা শোনা গেছে তার মুখে, তবে সপ্তাহের অর্ধেকের বেশি দিন বাকি।

অদ্ভুত সব মন্তব্যের জন্য ট্রাম্প সবসময়ই পরিচিত। তবে ইরান যুদ্ধের মধ্যে তার এ ধরনের আচরণ নিয়মিত হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বড় ধরনের ঝুঁকিও।

কখনো তার মন্তব্য শুনে মনে হয়েছে, কী ঘটছে সে বিষয়ে তিনি খুব একটা অবগত নন বা বিষয়টিতে খুব বেশি যুক্ত নন। আবার কখনো তিনি এমন প্রস্তাব দিয়েছেন, যা বাস্তবায়ন করা কঠিনই শুধু নয়, প্রায় অসম্ভব। কয়েকবার এমন হয়েছে, তিনি যেন নিজের ইচ্ছায় একটি কল্প বাস্তবতা তৈরি করতে চাইছেন।

প্রায় ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সবচেয়ে উদ্ভট কিছু মন্তব্য তুলে ধরা হলো :

ইরানের নেতাদের ‘যুক্তিবাদী’ ও ‘চরমপন্থী নন’ বলে প্রশংসা

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে ১৬ জুন ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা এমন লোকদের সঙ্গে কাজ করছি, যাদের আমি খুবই যুক্তিবাদী মানুষ বলে মনে করি। তাদের সঙ্গে কাজ করা ভালো ছিল। তারা শক্তিশালী মানুষ, বুদ্ধিমান মানুষ। কিন্তু তারা চরমপন্থী নন। তারা নিজেদের দেশকে সহায়তা করতে চাইছেন।’

এ মন্তব্যের পর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। তবে নিজের কথা উল্টে ফেলতে ট্রাম্প খুব একটা সময় নেননি।

মাত্র তিন সপ্তাহ পর আলোচনা প্রত্যাশিতভাবেই ভেস্তে গেলে ট্রাম্প ওই একই নেতাদের ‘পাগলাটে’, ‘দুষ্ট’, ‘অসুস্থ’, ‘নোংরা খেলোয়াড়’ ও ‘আবর্জনা’ বলে আখ্যা দেন।

তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প আবার বলেছেন, ‘তারা প্রতিদিন চুক্তি লঙ্ঘন করছে। তারা মিথ্যা বলে। তারা প্রতারণা করে।’

এপ্রিলেই ইরান ‘সবকিছুতে সম্মত হয়েছিল’ দাবি

১৭ এপ্রিল সিবিএস নিউজকে ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি করা ‘সবকিছুতেই সম্মত হয়েছিল’ ইরান। এর মধ্যে ছিল হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করা, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ হস্তান্তর করা এবং চিরতরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করার অঙ্গীকার।

এর কোনোটিই বাস্তবায়িত হয়নি। ইরান আসলেই এসব বিষয়ে সম্মত হয়েছিল, এমন প্রমাণও নেই।

এমনকি জুনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে পৌঁছালেও তাতে এসব বিষয়ের কোনোটিই ছিল না।

বারবার দাবি করেছেন, চুক্তি সন্নিকটে

ট্রাম্প প্রায়ই দাবি করেছেন, ইরান চুক্তি করতে মরিয়া। এমন একটি চুক্তি খুব শিগগিরই হতে যাচ্ছে বলেও তিনি একাধিকার দাবি করেন।

৭ এপ্রিলও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আলোচনা ‘অনেক দূর এগিয়েছে’। তবে তা চূড়ান্ত করতে ও সম্পন্ন করতে আরও দুই সপ্তাহ প্রয়োজন। শেষে তিনি বলেন, ‘এই দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধানের কাছাকাছি আসাও সম্মানের বিষয়।’

তবে সেই সমাধান এখনো আসেনি।

জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ ধরনের দাবি তিন ডজনেরও বেশি বার করেছেন। এরপরও তিনি তা অব্যাহত রেখেছেন। যদিও ইরান বিপরীত অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনও। ওই স্মারকে তেহরানের জন্য অনুকূল কিছু শর্ত ছিল।

হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে ইরানের সঙ্গে ‘যৌথ উদ্যোগ’

ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের হাতে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলার অনেক আগেই আরেকটি ধারণা দিয়েছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য টোল আদায়ে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্বের কথা বলেছিলেন তিনি।

৮ এপ্রিল এবিসি নিউজের সাংবাদিক জনাথন কার্লকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে করার কথা ভাবছি। এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায়। একই সঙ্গে আরও অনেকের কাছ থেকে এটিকে সুরক্ষিত রাখার উপায়।’

এরপর তিনি বলেছেন, ‘এটি একটি চমৎকার বিষয়।’

এ ক্ষেত্রে প্রায় পাঁচ দশক ধরে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ—এ বিষয়টি যেন বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইরানের নাগরিকদের ‘আমেরিকার মৃত্যু’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়টিও উপেক্ষিত হয়েছে।

এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এর আগে আন্তর্জাতিক এই জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য টোল আদায়কে ‘অবৈধ’ এবং ‘বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক’ বলেছিলেন।

উপসাগরীয় অন্য দেশগুলো যুদ্ধে যোগ দিয়েছে বলে দাবি

৯ মার্চ ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের প্রতিবেশী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তাদের ওপর হামলা চালানোর আগ পর্যন্ত ‘মূলত নিরপেক্ষ’ ছিল।

তিনি বলেছেন, ‘প্রতিবেশীরা আমাদের পক্ষে চলে এসেছে এবং তেহরানের ওপর হামলা শুরু করেছে। আসলে বেশ সফলভাবেই করেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও অন্যদের দিকে তাকান।’

আসলে এমন কিছু ঘটেনি।

উপসাগরীয় অন্য দেশগুলো যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছে। তবে গত মাসে সৌদি আরব কিছুটা এর মধ্যে জড়িয়ে পড়ে।

পাঁচ মাসেরও বেশি আগে ইরান যুদ্ধ ‘প্রায়’ শেষ বলে দাবি

৯ মার্চ সিবিএস নিউজকে ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়, যুদ্ধ প্রায় শেষ।’

তখন যুদ্ধের মাত্র ১০ দিন পেরিয়েছিল। এখন সেই যুদ্ধ ১৭২ দিন ধরে চলছে।

ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র রাখার অধিকার আছে বলে মন্তব্য

ইরানের সঙ্গে চুক্তি করার চেষ্টা করার সময় ১৭ জুন ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকতেই হবে। কারণ অন্যদেরও কিছু আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্র সমস্যা নয়।’ কারণ ‘এগুলো পৃথিবী ধ্বংস করে না।’

পরে ট্রাম্প বলেছেন, ‘তুলনামূলকভাবে দেখলে, আমার মনে হয় এটা ঠিক আছে।’

যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্প যে অবস্থান নিয়েছিলেন, তার সঙ্গে এসব মন্তব্যের তীব্র ও বিভ্রান্তিকর বৈপরীত্য দেখা যায়। তখন তিনি বলেছিলেন, তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ‘তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া’।

ট্রাম্প ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রকে এই অঞ্চলের জন্য অগ্রহণযোগ্য ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকির কথাও বলেছেন।

ইরানি রাষ্ট্র গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ঘোষণা

৯ মার্চ ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘এটি একটি নতুন দেশ গঠনের শুরু।’

৬ এপ্রিল তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হয়তো তাদের দেশ পুনর্গঠনে সহায়তা করার কাজেও যুক্ত হতে পারি।’

বিদেশে রাষ্ট্র গঠন নিয়ে বহু বছর ধরে ট্রাম্প সমালোচনা করে আসার পর এসব মন্তব্য করেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে এ ধরনের উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছিলেন তিনি।

ট্রাম্পের অনেক ধারণার মতো এটিও তিনি দ্রুত পরিত্যাগ করেছেন বলে মনে হয়েছে।

ইরানের আকাশসীমার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি


যুদ্ধের শুরুর দিকে ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দুজনেই দাবি করেন, ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের অবাধ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ট্রাম্প বলেন, তেহরান ‘এ নিয়ে কিছুই করতে পারে না’।

এপ্রিলের শুরুতে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।

তবু ট্রাম্প এই দাবি চালিয়ে যান। জুনে তিনি বলেন, ‘ইরানের আকাশসীমার ওপর এখন আমাদের সম্পূর্ণ ও নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।’

জুলাইয়ে তিনি আরও বলেন, সামরিক দিক থেকে ইরানের ‘কিছুই নেই’। এর মধ্যে ‘কোনো বিমানবাহিনী’ও নেই। তাদের ‘বিমানবিধ্বংসী ব্যবস্থা’ও শেষ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

কিন্তু মাত্র পাঁচ দিন পর তুরস্ক থেকে ফেরার সময় ইরান বড় বিমানটি ভূপাতিত করতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রশাসন গোপনে ট্রাম্পকে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে ছোট একটি বিমানে সরিয়ে নেয়।

হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের দাবি

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং প্রণালিটি ‘খোলা’।

গত বুধবার ট্রাম্প বলেছেন, ‘তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে। আমরা এর মালিক।’

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ আরোপ করেছে। এর মাধ্যমে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে ইরান জাহাজে হামলা চালিয়ে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রণালিটি পুরোপুরি খুলতে পারেননি। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখন এই জলপথে জাহাজ চলাচল অনেক কম।

বাস্তবে এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালিই ইরানের সবচেয়ে বড় চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার। আর যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই এর নিয়ন্ত্রণে থাকলে যুদ্ধের চিত্র অনেক ভিন্ন হতো।

হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করার ঘোষণা 

গত মঙ্গলবার সকালে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ‘আমার মনে হয় এটি দারুণ একটি ধারণা। আমরা হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করি। এটিকে এখন ভূখণ্ড ঘোষণা করার ধারণাটি আমার ভালো লেগেছে।’

তবে অন্তত বাস্তবতার দিক থেকে এটি পুরোপুরি অবাস্তব বলেই মনে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনই প্রণালিটির প্রকৃত নিয়ন্ত্রণে নেই। দীর্ঘমেয়াদে এটি ধরে রাখতে হলে অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে দীর্ঘ সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হতে পারে।

যে প্রেসিডেন্ট বারবার বলেছেন যুদ্ধ চার থেকে ছয় সপ্তাহের বেশি চলবে না এবং ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধের’ সমালোচনা করেছেন, তার কাছ থেকে এমন লক্ষ্য অদ্ভুত।

অবশ্য ট্রাম্প প্রায়ই এ ধরনের কথা বলেন। গত বছরও তিনি অল্প সময়ের জন্য গাজা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। সেটি ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর থেকে এ নিয়ে প্রায় আর কিছুই শোনা যায়নি।

ওমানকে বোমা হামলার হুমকি

এ সপ্তাহে ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইয়িংস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ‘ওমান যদি পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, আমরা তাদের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’

ট্রাম্প প্রায়ই নানা হুমকি দেন। তবে এই হুমকি—যা প্রেসিডেন্ট প্রথমে মে মাসে দিয়েছিলেন এবং সোমবার আবারও দিয়েছেন—অঞ্চলটির মিত্রদের পুরোপুরি বিভ্রান্ত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অংশীদার ওমান। ইরানের সঙ্গে আলোচনায় দেশটি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেছে।

সোমবার ট্রাম্প ওমানকে হরমুজে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে সতর্ক করেন। অথচ এর আগে একটি স্বাক্ষরিত নথিতে তিনি বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ প্রশাসন ও সামুদ্রিক পরিষেবা নির্ধারণে ওমান তেহরানের সঙ্গে ‘সংলাপ করবে’।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

ইরান যুদ্ধডোনাল্ড ট্রাম্পইরানহরমুজ প্রণালি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise