কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

২২ জুন পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: রয়টার্স
পদত্যাগ করেছেন ব্রিটেনের ৮০তম প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। গত সোমবার লন্ডন সময় বেলা ১১টায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। এর পরেই আলোচনা হচ্ছে, কে হবেন যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন বলছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। বলা হচ্ছে, স্টারমারের উত্তরসূরি হওয়ার বার্নহ্যামের জন্য এখন সময়ের অপেক্ষা। কোন ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মেকারফিল্ডের নবনির্বাচিত এমপি, ক্রমশ জোরালো হচ্ছে এই সম্ভাবনা।
স্টারমার যেদিন পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন, সেদিনই লন্ডনের হাউস অফ কমন্সে এমপি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন উপনির্বাচনে জয় পাওয়া অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সোমবার সকালে তিনি জানান, শীর্ষ পদটির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে এক বিবৃতিতে বার্নহ্যাম উল্লেখ করেন, তার এ সিদ্ধান্ত একটি পরিবর্তনের সূচনা করে এবং এই প্রক্রিয়াটি সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীলভাবে পরিচালিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আমি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করব।
এর আগে সোমবার লন্ডন সময় বেলা ১১টায় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে পদত্যাগের ঘোষণা দেন স্টারমার। তবে পদত্যাগ করলেও এখনো প্রধানমন্ত্রিত্ব চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্টারমার। ১ সেপ্টেম্বর হাউজ অব কমন্সের নতুন অধিবেশন শুরুর আগেই দলের নতুন নেতা এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন তিনি। স্টারমার বললেন, ‘নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করব। ক্ষমতা হস্তান্তর যাতে সুশৃঙ্খলভাবে হয়, তা নিশ্চিত করতেও সবকিছু করব।’
২০২৪ সালে লেবার পার্টিকে বড় জয় এনে দিয়েছিলেন স্টারমার। কিন্তু জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং একক নীতিগত অবস্থান বদলের কারণে তার জনপ্রিয়তা অনেকটাই কমে যায়। স্থানীয় নির্বাচনে নাইজেল ফরাজের রিফর্ম ইউকে পার্টির কাছে ধরাশায়ী হয়েছে লেবার। অভিবাসন নীতি নিয়েও ছিলেন চাপের মধ্যে। এপস্টিন ফাইলে নাম আসা পিটার ম্যান্ডেলসনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায়ও তার সমালোচনা হয়। এত সমালোচনার ভিড়ে দলের ভেতরে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন স্টারমার।




