কানাডার তরুণদের জন্য খুলবে কি ইউরোপের দরজা

ইউরোপের শহরে পড়াশোনা, কাজ, নতুন জীবন, কানাডার বহু তরুণের কাছে এতদিন ছিল দূরের স্বপ্ন। এখন সে স্বপ্নেই রাজনীতির রঙ লাগিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে গভীর নতুন অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে দুই তীরের তরুণরা যেন যেখানে চান সেখানে ‘থাকতে, কাজ করতে ও পড়তে’ পারেন। কথাটি এখনো পরিকল্পনার স্তরে; কিন্তু কানাডায় তাতেই শুরু হয়েছে নতুন উত্তেজনা।
গতকাল শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে কারনি ইইউর সম্ভাব্য ‘সহযোগী সদস্য’ হিসেবে কানাডাকে নিয়ে আলোচনাকে স্বাগত জানালেন। তিনি ইরাসমাস+ শিক্ষাবিনিময় কর্মসূচিতেও কানাডার অংশগ্রহণের প্রস্তাব দেন, যাতে কানাডীয় ও ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও চলাচলের সুযোগ বাড়ে।
কানাডার আগ্রহের পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানাপড়েন। দেশটির প্রায় ৭২ শতাংশ রপ্তানি এখনো মার্কিন বাজারে যায়। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধ বাড়ায় অটোয়া ইউরোপে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বিকল্প খুঁজছে।



