হরমুজে আটকে পড়া নাবিকদের উদ্ধার করবে জাতিসংঘ

১৮ জুন ওমানের মাসানদাম থেকে হরমুজ প্রণালির নৌযানসমূহ দেখা যাচ্ছে। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)।
আইএমও মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ বলেছেন, এই বৃহৎ অভিযানটি ইরান, ওমান, যুক্তরাষ্ট্র এবং এই অঞ্চলের অন্য উপকূলীয় দেশগুলোর সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।
তিনি বলেছেন, ‘এসব অভিযানকে সহায়তা করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিশ্চিত করেছি এবং নিরাপদ নৌ চলাচলের শর্তাবলি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করেছি।’
যুদ্ধ বন্ধে গত সপ্তাহে একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্মারক সই হলেও খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখনো মতবিরোধ রয়ে গেছে।
ওয়াশিংটনের দাবি, এই সমঝোতা স্মারকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিদর্শন করবে বলে নিশ্চয়তা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইরান ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময় ধরে (অসীম!!!) সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শনে সম্পূর্ণ ও পুরোপুরিভাবে সম্মত হয়েছে। এটি পারমাণবিক ক্ষেত্রে তাদের সততা নিশ্চিত করবে।
ট্রাম্পের পোস্টের কিছুক্ষণ আগে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো জাতিসংঘের নজরদারি সংস্থা পরিদর্শন করতে পারবে না।
এর জবাবে একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানিরা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির ধ্বংসাবশেষ দেখাতে সম্মত হয়েছে। ইরানি শাসকগোষ্ঠী তাদের জনগণের জন্য এসব কথা বলছে।
সূত্র : বিবিসি




