হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ১২ হামলা ইসরায়েলের

ছবি: রয়টার্স
লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী এখনো ‘পূর্ণাঙ্গ অভিযান পরিচালনার স্বাধীনতা’ বজায় রেখেছে বলে মন্তব্য ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদরাইয়ের। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে আসা বলে দাবি করা যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত রাখবে তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আদরাই অভিযোগ করেন, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। তার দাবি, ‘আমাদের বাহিনী যেন তাদের সক্ষমতা ধ্বংসের কাজ সম্পন্ন করতে না পারে, সে উদ্দেশ্যে’ করা হয়েছে এই লঙ্ঘন।
তবে তিনি যে যুদ্ধবিরতির কথা বলেছেন, তা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লিখিত স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় কার্যকর হওয়ার কথা থাকা যুদ্ধবিরতি নাকি আগের কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি, তা স্পষ্ট নয়।
আদরাই জানান, ইসরায়েলি বাহিনী লেবানন জুড়ে হিজবুল্লাহর ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বেকা উপত্যকা ও নাবাতিয়েহ অঞ্চলের অবস্থানও।
তার দাবি, এসব হামলায় নিহত হয়েছেন ‘ডজনখানেক’ ব্যক্তি।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ‘প্রতিটি এলাকায় হুমকি দূর করতে পূর্ণাঙ্গ অভিযান পরিচালনার স্বাধীনতা ভোগ করবে’ বলেও মন্তব্য করেন আদরাই।
তিনি বলেছেন, সেনাপ্রধান যেসব এলাকায় প্রয়োজন মনে করবেন, সেখানে মাঠপর্যায়ের বাহিনীকে সব ধরনের সক্ষমতা ও সহায়তা দেওয়া হবে।
এদিকে, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল যে সময়, তার মাত্র আধাঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে অন্তত ১২টি বড় ধরনের বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এর মধ্যে একটি হামলা হয়েছে নাবাতিয়েহ শহরে, দুটি কফর তেবনিতে এবং আরেকটি কফর সির এলাকায়। এ ছাড়া পৃথক একটি স্থানে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে।
পরিস্থিতি দেখে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। বরং অনেকের কাছে এটি পুরনো অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি বলে মনে হচ্ছে। কারণ প্রতিবার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেই নতুন করে সামরিক তৎপরতা বেড়ে যেতে দেখা যায়।





