সুদানের রক্তক্ষয়ে আমিরাতের হাত
- ভাড়াটে সেনা পাঠানোর দাবি জাতিসংঘের গোপন নথিতে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
যুদ্ধের ময়দানে বন্দুক ধরেছে বিদেশিরা। আর তাদের পেছনে অর্থ ও প্রশিক্ষণের জোগান দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সুদানের রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিয়ে ফাঁস হওয়া জাতিসংঘের এক গোপন নথিতে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে আবুধাবি।
গত শুক্রবার এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, গত সপ্তাহে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জমা দেওয়া গোপন প্রতিবেদনে কলম্বিয়ার ভাড়াটে যোদ্ধা নিয়োগে আমিরাতের সম্পৃক্ততা ‘সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।
নথি অনুযায়ী, আমিরাতভিত্তিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল সিকিউরিটি সার্ভিসেস গ্রুপ যোদ্ধাদের নিয়োগ ও স্থানান্তরে ভূমিকা রেখেছে। আবুধাবি, গিয়াথি ও আল-ওয়াথবায় তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে সোমালিয়া, লিবিয়া ও চাদ হয়ে বিভিন্ন পথে সুদানে পাঠানো হয়। সোমালিয়ার বোসাসোয় একটি নিরাপত্তা ঘাঁটিও ব্যবহার করা হয়।
তদন্তকারীদের ভাষায়, এসব যোদ্ধা ‘ড্রোন পরিচালনা, কামান ও পদাতিক অভিযানে’ সহায়তা করেছেন। বিশেষত উত্তর দারফুরের এল-ফাশের অবরোধ ও দখলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। দীর্ঘ অবরোধের পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে এল-ফাশের দখল করে আধা সামরিক বাহিনী। সেখানে হত্যা, যৌন সহিংসতাসহ ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত জাতিসংঘের পৃথক তদন্তেও দুই হাজার পর্যন্ত সাবেক কলম্বীয় সামরিক সদস্যের সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে আসে। এতে আমিরাতসহ কয়েকটি দেশে বিস্তৃত সরবরাহ ও নিয়োগের নেটওয়ার্কের কথা বলা হয়।



