Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের জীবন বাঁচাতে সড়কে শফিকুল
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক ব্যুরোর নেতা বদরান

অস্ত্র সমর্পণ করবে না হামাস

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:০৩
অস্ত্র সমর্পণ করবে না হামাস

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হুসাম বদরান। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির আওতায় গাজা শাসনের জন্য ফিলিস্তিনি কমিটি দায়িত্ব নিলে পুলিশ ছাড়া উপত্যকায় কোনো অস্ত্র দৃশ্যমান থাকবে না বলে জানিয়েছেন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হুসাম বদরান। তবে স্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, এর অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পণ নয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন হামাসের দায়িত্বশীল এ নেতা। এসময় তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে স্থবির হয়ে পড়া আলোচনার বিষয়ে দলটির প্রস্তাবিত সমাধানগুলো সম্পর্কে ভেতরের চিত্র তুলে ধরেন এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধবিরতির ধারণাটি সম্পর্কে আলোচনা করেন।

হামাস নেতা বদরান বলেছেন, যখন এই ফিলিস্তিনি কমিটি গাজা শাসনের জন্য সম্মিলিত জাতীয় কমিটি ( এনসিএজি ) গাজা উপত্যকার দায়িত্ব নিতে আসবে, তখন এই কমিটির, অর্থাৎ ফিলিস্তিনি পুলিশের সরকারি অস্ত্র ছাড়া গাজার রাস্তা ও গলিতে কোনো দৃশ্যমান অস্ত্র থাকবে না।

তার ভাষ্য, গাজা উপত্যকায় আমরা যে ধরনের সশস্ত্র বিক্ষোভে অভ্যস্ত ছিলাম, সেরকম কিছু আর হবে না। তবে এটা স্পষ্ট যে এর অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পণ নয়।

বদরান জোর দিয়ে বলেছেন, আমরা সেগুলো (অস্ত্র) হস্তান্তর করার কথা বলছি না; আমরা অন্ততপক্ষে ফিলিস্তিনি পুলিশের সরকারি অস্ত্র ছাড়া অন্য কোনো অস্ত্র দৃশ্যমান না থাকার বিষয়ে কথা বলছি। এই বিষয়ের বিস্তারিত একটি জাতীয় কাঠামোর মধ্যে আলোচনা করা হবে।

হামাসের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো যখন একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র আলজাজিরাকে জানিয়েছে, দলটি নতুন করে আলোচনার জন্য কায়রোতে তাদের প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্র জানায়, আলোচনাটি এই সপ্তাহের শেষে শুরু হতে চলেছে। আরও অনুকূল আলোচনার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য হামাস চলমান ইসরায়েলি গুপ্তহত্যা—যেমন সম্প্রতি সামরিক কমান্ডার ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ এবং মোহাম্মদ ওদেহ- এর হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতে আলোচনায় তাদের অংশগ্রহণ সাময়িকভাবে দেরি করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২০২৫ সালের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারই সবচেয়ে বড় অমীমাংসিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে বলে মনে করেন উপত্যকার শাসক দলটির এ শীর্ষ নেতা।

তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন কায়রো বৈঠকে গাজার আটটি প্রধান ফিলিস্তিনি দল একটি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় অবস্থান গঠনের জন্য একত্রিত হবে। হামাস, প্যালেস্টাইন ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে), পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি), ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ প্যালেস্টাইন (ডিএফএলপি), পিএফএলপি-জিসি, ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ, পপুলার রেজিস্ট্যান্স কমিটিজ (পিআরসি) এবং ফাতাহ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ডেমোক্রেটিক রিফর্ম কারেন্টের প্রতিনিধিদের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই আলোচনার লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতিটি রক্ষা করা।

তবে বদরান উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েল তার প্রথম পর্যায়ের অঙ্গীকারের ৩০ শতাংশও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার পথকে অসম্ভব করে তুলেছে।

তার অভিযোগ, আমরা গাজায় মানবিক সহায়তা, রাফাহ ক্রসিং ব্যবস্থা, অবকাঠামো এবং গুপ্তহত্যা নিয়ে কথা বলছি। উদ্দেশ্য ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি, কিন্তু এরপরেও প্রায় হাজার মানুষ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল এর ৩০ শতাংশও বাস্তবায়ন করেছে, একথা বলাটাও অতিরঞ্জন।

বদরানের দাবি, চুক্তি অনুযায়ী ৬০০টির পরিবর্তে প্রতিদিন মাত্র ১৫০ থেকে ২৫০টি সাহায্যবাহী ট্রাক গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করছে, অথচ বিদ্যুৎ, হাসপাতাল ও জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

সূত্র : আলজাজিরা 

ইসরায়েল হামাস যুদ্ধহামাসঅস্ত্র সমর্পণসাক্ষাৎকার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে কাঁদলেন-ক্ষমা চাইলেন এমপি মনিরুল, বললেন ‘কী দেশ বানালাম’

    অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে কাঁদলেন-ক্ষমা চাইলেন এমপি মনিরুল, বললেন ‘কী দেশ বানালাম’

    ফিরছিলেন আত্মীয়ের জানাজা থেকে,  এখন তাদেরই জানাজা

    ফিরছিলেন আত্মীয়ের জানাজা থেকে, এখন তাদেরই জানাজা

    আমার ছেলের কী অন্যায় ছিল জানতে চাই, কোন দেশ এটা

    আমার ছেলের কী অন্যায় ছিল জানতে চাই, কোন দেশ এটা

    কোরআন-সংবিধান নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনায় হেফাজত

    কোরআন-সংবিধান নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনায় হেফাজত

    দীর্ঘদিন পর নাটকে বিজরী বরকতুল্লাহ, সঙ্গে তৌসিফ ও সাদনিমা

    দীর্ঘদিন পর নাটকে বিজরী বরকতুল্লাহ, সঙ্গে তৌসিফ ও সাদনিমা

    আটকের কয়েক ঘণ্টা আগে অপ্রতিমকে নিয়ে যে পোস্ট দিয়েছিলেন আনাস

    আটকের কয়েক ঘণ্টা আগে অপ্রতিমকে নিয়ে যে পোস্ট দিয়েছিলেন আনাস

    প্রয়োজন না থাকলে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে রাজি নই: রাধিকা আপ্তে

    প্রয়োজন না থাকলে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে রাজি নই: রাধিকা আপ্তে

    অডিট টিমের জালে আটকা পড়ল ৪৫ কোটি টাকা

    অডিট টিমের জালে আটকা পড়ল ৪৫ কোটি টাকা

    মেরু কূটনীতিতে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক জয়

    মেরু কূটনীতিতে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক জয়

    আইফোন দিতে চায়নি অপ্রতিম, খুন করা হয় বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে

    আইফোন দিতে চায়নি অপ্রতিম, খুন করা হয় বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে

    মানুষের জীবন বাঁচাতে সড়কে শফিকুল

    মানুষের জীবন বাঁচাতে সড়কে শফিকুল

    বাড়ির পাশেই চিরঘুমে অপ্রতিম

    বাড়ির পাশেই চিরঘুমে অপ্রতিম

    যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    শেষ ১২ দিনে ‘পাগলাটে’ কাজে যেন নিজেকেও ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প

    শেষ ১২ দিনে ‘পাগলাটে’ কাজে যেন নিজেকেও ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প