Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দুর্গম চরে প্রসূতির ভরসা রিমা
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

কবরস্থান গেছে ভরে, গাজায় এখন লাশ দাফনেও সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৮
কবরস্থান গেছে ভরে, গাজায় এখন লাশ দাফনেও সংকট

গাজা সিটির দেইর আল-বালাহ কবরস্থানের মধ্য দিয়ে হাঁটছে এক ফিলিস্তিনি শিশু। ছবি: রয়টার্স

২০ বছর বয়সী গাজার তরুণ ওমর আল-সাওহির তার বাবা মোহাম্মদকে বহু কষ্টের পর দাফন করতে পেরেছেন। ৪০ বছর বয়সী মোহাম্মদ যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।

গাজা সিটির জেইতুন এলাকায় ছোট একটি দোকানে চা-কফি বিক্রি করতেন মোহাম্মদ। ১০ জুন গলায় গুলি লাগে তার। ঘটনাস্থলেই সঙ্গে সঙ্গে মারা যান তিনি।

বাবাকে দাফন করতে ওমর জেইতুন কবরস্থানে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, কবরগুলো গাদাগাদি করে আছে। এসব কবরে ইসরায়েলের চলমান হামলায় নিহত অনেক ফিলিস্তিনিকে দাফন করা হয়েছে।

জায়গার অভাব ও যুদ্ধের কারণে অনেক কবরও ঠিকভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়নি। কোথাও শুধু একটি পাথর রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে কাগজে মৃত ব্যক্তির নাম লেখা।

ওমর বলেছেন, ‘আমি কবরস্থানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে অনেক কবর দেখেছি। চারদিকে বালুর স্তূপ। এর নিচে মানুষকে দাফন করা হয়েছে।’

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আল শিফা হাসপাতাল থেকে আনা ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ গণকবরে দাফন করা হচ্ছে। ফাইল ছবি / রয়টার্স
তিনি আরও বলেছেন, ‘একটি কবর শুধু একটি পাথর আর কাগজে লেখা শহিদের নাম। যুদ্ধের আগে যেভাবে কবর তৈরি ও প্রস্তুত করা হতো, এখন তা সম্ভব হচ্ছে না।’

বর্তমানে গাজায় একটি কবরের জন্য প্রায় ৫০০ শেকেল বা ১৬৭ ডলার খরচ হয়। ওমরের পরিবারের পক্ষে এই খরচ বহন করা সম্ভব ছিল না। তার ওপর নতুন কবরের জায়গাও ছিল না।

শেষ পর্যন্ত দাদার কবরে বাবাকে দাফন করেন ওমর।

যুদ্ধের কারণে গাজার সেবা ব্যবস্থা প্রায় পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ইসরায়েলি হামলার ঝুঁকির কারণে হাজার হাজার নিহত ফিলিস্তিনির হিসাব ‘নিখোঁজ’ হিসেবে রাখা হয়েছে।

অনেককে বাড়ির আঙিনা, তাঁবু, বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়শিবির, স্কুল ও হাসপাতালের জায়গায় দাফন করা হয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজায় ইসরায়েলি হামলা কিছুটা কমে আসে। এরপর পরিবারগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়ি ও অস্থায়ী কবর থেকে স্বজনদের মরদেহ উদ্ধার করতে শুরু করে।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও অন্তত ১ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের জন্যও দাফনের জায়গা প্রয়োজন হয়েছে। গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতালের সাতটি গণকবর থেকে ৫২৯ ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহ নাসের হাসপাতাল থেকে গণকবরস্থানে নেওয়া হচ্ছে। ফাইল ছবি / রয়টার্স
এই সুযোগে ওমরের পরিবারও তার বাবার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাকে কবরস্থানে এনে আবার দাফন করা হয়।

গাজায় কবরের সংকট শুধু বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কারণে নয়। যুদ্ধের সময় ইসরায়েল অনেক কবরস্থানও ধ্বংস করেছে।

গাজার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর ৪০টির বেশি কবরস্থান ধ্বংস হয়েছে।

ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোয় কবরস্থানে প্রবেশেও কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে দাফনের জায়গা আরও কমে গেছে।

ইসরায়েলি হামলা ও বাস্তুচ্যুতির কারণে লাখো ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। কবরস্থানের জন্য নির্ধারিত কিছু জায়গাও এখন বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কবরের পাথরসহ বিভিন্ন সামগ্রীর সংকটের কারণে এখন একটি দাফনে ৭০০ থেকে ১ হাজার শেকেল পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। অর্থাৎ প্রায় ২৩৫ থেকে ৩৩৫ ডলার।

ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের ইট, কাদা বা ঢেউটিন দিয়ে অস্থায়ীভাবে কবর চিহ্নিত করা হচ্ছে। পরে অর্থ জোগাড় হলে স্থায়ী কবরের পাথর বসানো হচ্ছে।

গণকবরে দাফন শেষে জানাজা আদায় করছেন শিফা হাসপাতালের কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী। ফাইল ছবি / রয়টার্স
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ইকরামি আল-মাদাল্লাল বলেছেন, যুদ্ধ শুরুর আগেই গাজার ৬০টি কবরস্থানের অনেকগুলোয় জায়গা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল।

তিনি বলেছেন, ‘দাফনের জায়গার সংকটের কারণে আমাদের নতুন কবরস্থান তৈরি করতে হবে।’

মন্ত্রণালয় নতুন কবরস্থানের জন্য জায়গা খুঁজছে। অস্থায়ীভাবে দাফন করা মরদেহগুলো কবরস্থানে স্থানান্তর করাও কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আল-মাদাল্লাল বলেছেন, ‘মরদেহ স্থানান্তর ইচ্ছেমতো করা যায় না। এজন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়।’

৫০ বছর বয়সী তাফেশ আবু হাতাব ১৯ বছরের বেশি সময় ধরে কবর খোঁড়ার কাজ করছেন। তার কর্মজীবনে গাজার এই যুদ্ধই সবচেয়ে কঠিন সময়।

তিনি খান ইউনিস কবরস্থানে কাজ করেন। যুদ্ধ শুরুর সময় সেখানে প্রায় ৬০টি কবর ছিল। এখন কবরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার।

যুদ্ধের একপর্যায়ে তাফেশকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫টি কবর তৈরি করতে হয়েছে।

অনেক ফিলিস্তিনি খ্রিষ্টানকেও বাধ্য হয়ে মুসলিম কবরস্থানে দাফন করা হচ্ছে। ফাইল ছবি / রয়টার্স
তিনি বলেছেন, ‘এত ভয়াবহ রক্তপাতের সময় আমরা কখনো দেখিনি। এমন কোনো দিন যায় না, যেদিন কয়েক ডজন শহিদকে দাফন করতে হয় না।’

তার হাতে দাফন হওয়া অনেক মৃতই নারী ও শিশু। তাদের মধ্যে নবজাতকও রয়েছে।

ইসরায়েলি বোমায় কোনো ভবন, গাড়ি বা তাঁবু ধ্বংস হলে অনেক সময় পুরো পরিবারের মরদেহ একসঙ্গে কবরস্থানে আসে।

তাফেশ বলেছেন, ‘ইসরায়েলিরা আমাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করে। সেই ঘরের ধ্বংসস্তূপ থেকেই আমরা আমাদের কবর তৈরি করি।’

সূত্র : আল জাজিরা

গাজায় গণদাফনগাজায় কবরস্থান সংকটইসরায়েল হামাস যুদ্ধ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    সৈকতের বুকে সড়ক!

    সৈকতের বুকে সড়ক!

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১২

    ভাতা দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকে শোকজ

    ভাতা দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকে শোকজ

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১৭

    বৃদ্ধের পায়ের রগ কাটার পর বাড়িতে হামলা, অর্ধশতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

    বৃদ্ধের পায়ের রগ কাটার পর বাড়িতে হামলা, অর্ধশতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৪৭

    এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, এলএনজি সরবরাহ বাড়ল

    এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, এলএনজি সরবরাহ বাড়ল

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৫১

    জলবায়ু পরিবর্তন বদলে দিচ্ছে ইউরোপের উষ্ণতম শহরটির জীবনযাত্রা

    জলবায়ু পরিবর্তন বদলে দিচ্ছে ইউরোপের উষ্ণতম শহরটির জীবনযাত্রা

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৬:০১

    মহেশখালীর পাহাড়ে দেশীয় অস্ত্রের কারখানার সন্ধান

    মহেশখালীর পাহাড়ে দেশীয় অস্ত্রের কারখানার সন্ধান

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫৫

    উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে ভাঙা হয় গৃহবধূর দাঁত, কাস্তে গরম করে দেওয়া হয় ছ্যাঁকা

    উচ্চশব্দে গান বাজিয়ে ভাঙা হয় গৃহবধূর দাঁত, কাস্তে গরম করে দেওয়া হয় ছ্যাঁকা

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪১

    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রীর ‘বিস্ফোরক’ অভিযোগ, কড়া জবাব ছাত্রদল নেত্রীর

    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রীর ‘বিস্ফোরক’ অভিযোগ, কড়া জবাব ছাত্রদল নেত্রীর

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৫২

    অটোরিকশাকে ট্যাংক লরির চাপা, একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

    অটোরিকশাকে ট্যাংক লরির চাপা, একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৭

    সরাইলে নৌকাবাইচে লাখো মানুষের ঢল

    সরাইলে নৌকাবাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ২১:৪৭

    পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ লাখ ১৪ হাজার, ইংরেজি ও গণিতে বেশি

    পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ লাখ ১৪ হাজার, ইংরেজি ও গণিতে বেশি

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪৮

    ফের মুখোমুখি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষা ক্যাডার

    ফের মুখোমুখি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষা ক্যাডার

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬

    ‘তৌহিদী জনতার’ বাধায় নৌকা বাইচ বন্ধ হবে না : ইউএনও

    ‘তৌহিদী জনতার’ বাধায় নৌকা বাইচ বন্ধ হবে না : ইউএনও

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ২১:৩৪

    ‘৩১ সালে এনসিপি সরকারি দল হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবে’

    ‘৩১ সালে এনসিপি সরকারি দল হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবে’

    ২২ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৬

    বিএনপি আমলেই কোণঠাসা বিএনপিপন্থী আমলারা

    বিএনপি আমলেই কোণঠাসা বিএনপিপন্থী আমলারা

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩০

    advertiseadvertise