কুয়েত বিমানবন্দরে ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা জারি

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ছবি: সংগৃহীত
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ও কর্মক্ষেত্রে মুঠোফোন, ক্যামেরা কিংবা যেকোনো প্রযুক্তিগত যন্ত্র দিয়ে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ ও সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ স্ট্রিমিং) নিষিদ্ধ করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ)।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী সাদ আল-ওতাইবির স্বাক্ষরিত ৬০/২০২৬ নম্বর পরিপত্রে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। বিমানবন্দরের কর্মী এবং সেখানে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও প্রযোজ্য এ নির্দেশনা।
পরিপত্রের প্রথম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পুরো প্রাঙ্গণে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর। এর আওতায় রয়েছে যাত্রী টার্মিনাল, প্রশাসনিক ও কারিগরি ভবন এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অধীন সব অবকাঠামো। নির্দেশনায় অভ্যন্তরীণ নথিপত্র, চিঠিপত্র, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও কার্যক্রম, পরিদর্শন চেকপয়েন্ট, নজরদারি ক্যামেরা, উড়োজাহাজের চলাচল এবং বিমানবন্দরের সার্বিক পরিচালনা-সংক্রান্ত কোনো তথ্য ধারণ বা প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের আশপাশের অবকাঠামোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও যাত্রীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা, পরিচালনাগত প্রয়োজন এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করাই এ সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য।
পরিপত্রে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ছাড় না দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দেশ অমান্যকারী যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কুয়েতের প্রচলিত আইন, বিধিবিধান ও সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পরিপত্র প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব খাত ও বিভাগকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনা প্রণয়নে ১৯৭৯ সালের সিভিল সার্ভিসবিষয়ক ডিক্রি-আইন নম্বর ১৫ ও এর সংশোধনী, ১৯৮৫ সালের সিভিল অ্যাভিয়েশন আইন নম্বর ৮৫ এবং সিভিল সার্ভিস কমিশনের ২০২১ সালের ২ নম্বর পরিপত্রে উল্লেখিত সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি অনুসরণ করা হয়েছে।




