পর্তুগালের নির্মাণ খাতে বাংলাদেশিদের আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত
- আগে জমা দেওয়া ফাইলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি

সংগৃহীত ছবি
পর্তুগালে নিয়ন্ত্রিত শ্রম অভিবাসন সহযোগিতা প্রটোকলের আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের আবেদনসংক্রান্ত ফাইল প্রস্তুত ও পর্যালোচনা স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির নির্মাণ ও গণপূর্ত খাতের সংগঠন এআইসিসিওপিএন (AICCOPN)। তবে আগে জমা দেওয়া ফাইলগুলোর ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু জানানো হয়নি।
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, নিয়ন্ত্রিত শ্রম অভিবাসন সহযোগিতা প্রটোকল (পিসিএমএলআর) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও গিনি-বিসাউয়ের কর্মীদের সংশ্লিষ্ট ফাইল প্রস্তুত ও বিশ্লেষণ স্থগিত রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে সংগঠনটি।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে স্থগিতের কারণ হিসেবে প্রটোকল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াগুলো আরও শক্তিশালী ও সুসংহত করার উদ্যোগের কথা জানিয়েছে এআইসিসিওপিএন। সংগঠনটির ভাষ্য, চলমান কাজের উদ্দেশ্য হলো ব্যবস্থাটির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বাড়ানো।
অন্যদিকে, গিনি-বিসাউয়ের কর্মীদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার ভিত্তিতে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
স্থগিত কার্যক্রম কবে শুরু হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হয়নি। এআইসিসিওপিএন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে যথাসময়ে জানানো হবে।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে পর্তুগালে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। অনেকে আগে জমা দেওয়া ফাইলগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করছেন। কেউ কেউ নির্মাণ খাতের বাইরে অন্য খাতের ওয়ার্ক পারমিটের বিষয়েও জানতে চাইছেন।
তবে বিজ্ঞপ্তিতে শুধু নির্মাণ ও গণপূর্ত খাতের সংগঠনটির আওতাধীন কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে। কৃষি, পোশাক বা অন্য কোনো খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের আবেদনের বিষয়ে কী হবে, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা সংশ্লিষ্ট অন্য সংস্থার ঘোষণা আসেনি।




