বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানোর বার্তা মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিলেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। বলেছেন, ‘দুই দেশের মধ্যে স্থানীয় স্তরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা। সীমান্ত হাট, বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ফের চালু হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনীতি অনেকটাই চাঙ্গা হতে পারে।’
শিলংয়ে একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কনরাড সাংমা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে। এতে দুই দেশেরই লাভ হবে।’
তার দাবি, বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপড়েন চলছে, তা সাময়িক। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এখন ফের যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় স্তরে দুই দেশের মানুষের মধ্যে কথাবার্তাও চলছে বলে দাবি করেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন, ‘২০২৪ সালের রাজনৈতিক অশান্তির পর বন্ধ হয়ে যাওয়া সীমান্ত হাটগুলো আবার চালু করা প্রয়োজন।’
তার মতে, আগে যেভাবে সীমান্ত এলাকায় ছোটখাটো বাণিজ্য চলত, তা ফের শুরু হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্যবসা ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের হিলি থেকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত একটি করিডর তৈরির কথাও উল্লেখ করেন সাংমা।
তার দাবি, এই পথ চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরে সহজে পৌঁছনো যাবে এবং পণ্য পরিবহনের খরচও অনেক কমবে। তবে একই সঙ্গে অনুপ্রবেশ ও বেআইনি অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগের কথাও বলেন তিনি।
সাংমার মতে, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য কড়া নজরদারি প্রয়োজন। পশ্চিমবঙ্গে সীমান্তে বেড়া দেওয়া প্রসঙ্গেও তিনি বলেছেন, নিরাপত্তার প্রশ্ন আলাদা হলেও মানুষে মানুষে সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।




