‘বাংলাদেশি’ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘আটক শিবির’ বানাবে পশ্চিমবঙ্গ

শুভেন্দু অধিকারী- রয়টার্স
‘বাংলাদেশি’ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য রাজ্য জুড়ে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা ‘আটক শিবির’ স্থাপনের নির্দেশ জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
এসব হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে ‘বাংলাদেশি নাগরিক বা রোহিঙ্গা’ সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের।
সরকার জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত এসব হোল্ডিং সেন্টারে রাখা যাবে সন্দেহভাজনদের।
এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের পাশাপাশি আগে গ্রেপ্তার ও কারাবন্দি থাকা এবং যাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, এসব কেন্দ্রে রাখা হতে পারে তাদেরও।
রাজ্য সরকার বলেছে, ‘এই রাজ্যে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে। এ উদ্দেশে বিভিন্ন জেলায় স্থাপন করা হবে হোল্ডিং সেন্টার।’
সরকার আরও জানিয়েছে, ‘এই কেন্দ্রগুলোয় অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং রাজ্যের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া বিদেশি বন্দিদের রাখা হবে। এসব কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেওয়া হচ্ছে নির্দেশ।’
এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর নির্দেশনা জারি করেছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, কেন্দ্রের সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছিল আগের প্রশাসন।
তিনি বলেছেন, তার সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ-সংক্রান্ত আইনগুলো রাজ্যে কার্যকর করা হয়েছে। যারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় পড়বেন না, দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে তাদের।
তিনি উল্লেখ করেন, তাদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পরে বিএসএফ সম্পন্ন করবে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া।
শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনাও জারি করেছে রাজ্য সরকার।






