এআই যুদ্ধে পক্ষ বেছে নিতে চাপ আসছে ওয়াশিংটন থেকে

ছবি: রয়টার্স
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রতিযোগিতায় চীন অথবা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে বলবে ওয়াশিংটন। কোনো দেশ যদি চীনের পক্ষ নেয়, তবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এআই জোট থেকে বাদ দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি অভ্যন্তরীণ নথির খসড়া পর্যালোচনা করে এবং এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য পেয়েছে রয়টার্স।
এআই প্রযুক্তি নিয়ে চীনের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। গত বছর এআই মডেল, সেমিকন্ডাক্টর এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করার উদ্দেশ্যে ‘প্যাক্স সিলিকা’ নামে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চালু করে ওয়াশিংটন। এতে যোগ দেয় প্রায় দুই ডজন দেশ।
গত জুলাই মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ‘ওয়ার্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের ঘোষণা দেন।
মার্কিন জোটে যোগ দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে ছিল কাজাখস্তান। গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের উৎস এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি চীনের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রেখেছে। যোগ দিয়েছে ওয়ার্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের। আর এতেই নড়েচড়ে বসেছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তৈরি করা খসড়া চিঠিটি জুনে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘এআই অপরচুনিটি স্টেটমেন্ট’ সই করা ৩৫টি দেশের উদ্দেশে লেখা হয়েছে। দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিতে চাপ দিয়ে এআই প্রযুক্তিতে চীনের এগিয়ে যাওয়া ঠেকাতে চায় ওয়াশিংটন। উন্নত এআই তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সম্পদ, প্রযুক্তি ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণকে ঘিরে দুই দেশের প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র কখন এই চিঠিটি পাঠাতে চায়, কিংবা পাঠানোর আগে তাতে কোনো সংশোধন করা হবে কিনা, তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর রয়টার্সকে জানিয়েছে, ‘কথিত ফাঁস হওয়া অভ্যন্তরীণ নথি’ বিষয়ে তারা মন্তব্য করবে না।
তবে মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘দুই দিকেই থাকা যাবে না’— এমন বার্তা দিতেই খসড়া চিঠিটি তৈরি করা হয়েছে।






