সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

সামিটের ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ)— ফাইল ছবি
মহেশখালীতে সামিট গ্রুপের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) রিগ্যাসিফাইড তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ শুরু হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সামিটের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ বৃদ্ধি করে দেশের চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে সামিট। সন্ধ্যায় গ্যাস সরবরাহ শুরুর পর ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে আগামী ১৫ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টার মধ্যে সর্বোচ্চ সক্ষমতা অর্থাৎ দৈনিক ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
এই অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অন্য গ্রাহকদের জন্য গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসার পাশাপাশি জাতীয় জ্বালানিব্যবস্থার ওপর চাপ কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
সামিট জানিয়েছে, টার্মিনাল ও জাতীয় সঞ্চালনব্যবস্থার কারিগরি সক্ষমতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি। দেশের শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ অপরিহার্য বলে মনে করে সামিট।
তবে সামগ্রিক জাতীয় গ্রিডে স্বস্তি ফিরতে হলে এক্সিলারেটের টার্মিনালও পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে হবে, যা এখনো কয়েক দিনের বিষয়।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাগর উত্তাল থাকায় একটি এলএনজি কার্গো টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় সামিটের টার্মিনালটি চালু থাকলেও সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়। এর ফলে বৃহস্পতিবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে চাহিদার প্রায় অর্ধেকেরও নিচে। দৈনিক চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুটের বিপরীতে সরবরাহ ছিল মাত্র ১৯০ কোটি ঘনফুটের কাছাকাছি।







